প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক এমপি, বাংলাদেশ এক্রিডিটেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও প্রিয়দেশ বাংলাদেশ এর উপদেষ্ঠা এডভোকেট মোঃ মঈনুদ্দিন মিয়াজী। তিনি বলেন,আমি একজন সংগ্রামী জননেতা ও একত্রে
রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নোবেল বিজয়ী প্রফেসার মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার সন্ধ্যায় ইউনূস সেন্টারের প্রোগ্রাম অফিসার শারমিন শাহ্রিয়া ফেরদৌসের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ শোক প্রকাশ করা হয়।
প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিরোধী নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শোকবার্তায় তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী, আওয়ামী লীগের সাবেক
রাজনৈতিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অভিভাবককে হারিয়ে শোকে ম্যুহমান হয়ে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দেশের প্রতিটি মানুষকে এই শোক ধারন করে বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায়
প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এ শোক পালন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এডভোকেট আবদুল হামিদ এ শোক ঘোষণা
রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব নেসার উদ্দিন ভূঁইয়া। বুধবার রাতে বঙ্গভবনে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সিঙ্গাপুর থেকে দেশে নিয়ে
আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৪ বছর। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের এখন বেহাল অবস্থা। খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে চলে গেছে। বেড়ে গেছে মূলধন ঘাটতি। লোকসানের পরিমাণও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋন এখন ১৩
দুই বছর ধরে বিজিএমইএ’র এর ভবন নিয়ে হতাশা যেন পিছু ছাড়ছে না ব্যবসায়ীদের। মঙ্গলবার বিজিএইএ’র ভবন ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় প্রকাশ করেছেন, তাতে আরও হতাশ হয়েছেন ব্যবসায়ী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেছেন, উনি রক্ত নিয়ে ক্ষমতায় যেতে চান। তিনি দুই বারের প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী দলের নেতা। তিনি কিভাবে মানুষের রক্ত চান? যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার