1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

১৬ স্টেশনে নতুন পে-স্কেলের বেতন, পাননি শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৬ Time View

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও তা পাননি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও বাকি রয়েছে শাহ আমানত বিমানবন্দর। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বেতন না পাওয়ার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে দায়ী করে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ সময় তাঁরা বিক্ষোভও করেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীদের অভিযোগ, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে তাঁরা সময়মতো বর্ধিত বেতন পাননি। এ ছাড়া পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়াও নথি পাঠাতে বিলম্বের অন্যতম কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কর্মচারীদের ৩১৯টি ফাইল সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৯টি নথি দু-এক দিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। এরপর সবাই একসঙ্গে বর্ধিত বেতন পাবেন। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বিমানবন্দরে লোকবল কম থাকায় সেখানকার নথি দ্রুত অনুমোদন করা সম্ভব হয়েছে এবং কর্মীরা বেতন পেয়েছেন। কিন্তু শাহ আমানত বিমানবন্দরে লোকবল বেশি হওয়ায় সবার নথি একসঙ্গে অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক সবার নথি অনুমোদন হওয়ার পর একসঙ্গে বর্ধিত বেতন ছাড় করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেন বলেন, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ