1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন

পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায়

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৭২ Time View

মন্ত্রিপরিষদ সভায় ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ক এ চুক্তির খসড়া অনুমোদন করা হয়।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সোমবার সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানে সহায়তার জন্য হংকংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক আইনি সহায়তা নিয়ে চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন করেছে সরকার।

সোমবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

চুক্তিটি সই হলে বাংলাদেশ ও হংকং অর্থ পাচার ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বিষয়ে তথ্য, নথিপত্র ও প্রমাণ বিনিময় করতে পারবে। একই সঙ্গে ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমে আইনি সহায়তা দিতে পারবে। বিশেষ করে পাচার করা সম্পদের সন্ধান ও তা উদ্ধারে এ সহযোগিতা চুক্তি কাজে আসবে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ‘লিগ্যাল অ্যাসিস্টেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট ইন ক্রিমিনাল ম্যাটারস বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড হংকং’ চুক্তির বিষয়ে বলেন, “এতে করে বিশেষ করে মানি লন্ডারিং যদি হয় কিংবা এই ধরনের আরো ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম হয় যেগুলার ক্ষেত্রে সহায়তা লাগে। অন্য সরকার সহায়তা না পেলে তো আমরা করতে পারি না। তখন কী করতে হয়? সহায়তা না পেলে উকিল নিয়োগ করতে হয়। ওখানটা আলাদা ইয়ে করে। আর এখানে সরকার সহায়তাটা পাওয়া যায়। এই হতে এক্সটেশন ট্রিটি হবে। ওর জন্য একটা আলাদা আইন লাগবে। এইটা হল যে, আমি জানি যে একটা ক্রিমিনাল আছে ওই দেশে।

“তাহলে আমার দেশ থেকে ক্রিমিনালের ব্যাপারে আমরা তথ্য চাচ্ছি। তাকে আটক করতে বলছি। তাহলে এই সুবিধাটা তারা দেবে। অন্তত বিবেচনা করবে। সরকার বিবেচনা করবে। তার বিনিময়ে আমিও আমাদের ক্ষেত্রে তার দেশের কোনো লোক যদি এখানে থাকে আমি বিবেচনা করব। এইরকম একটা চুক্তি হচ্ছে। এটা বার্নিং না।

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যদি হয় যে রাজনীতিক ক্রিমিনাল একটা লোক আমি যদি এখন দেখলাম যে হংকংয়ের একটা লোক আছে যাকে ছেড়ে দিলে তার জীবনের ক্ষতি হইতে পারে। এটা হয়তো আমি নাও করতে পারি বা তারাও নাও করতে পারে। কিন্তু সাধারণত ছোট যত নরমাল যে সমস্ত ক্রাইম আছে সেগুলোর ক্ষেত্রে এটা কাজ করবে।"

এমন চুক্তি অনেক দেশের সঙ্গে থাকার কথা তুলে ধরে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “অনেক দেশের সাথে আছে, রাষ্ট্রের সঙ্গে করে যেহেতু স্বীকৃত না অবশ্যই চায়নার তো সেটা একটা প্রশাসনিক অঞ্চল তাদের বিচার বিভাগ দেখছে কিন্তু তাদের আইন প্রয়োগের ধারাটা ভিন্ন। সেই কারণে এদের সাথে আলাদা করতে হচ্ছে।"

‘এটা কি চায়নার করেসপন্ডিং লাগে নাকি সরাসরি করা যায়’? এমন প্রেশ্নের জবাবে সচিব বলেন, “না, এটা হংকংয়ের মাধ্যমে হয়। হংকংয়ের সাথে হচ্ছে সরাসরি।”

জ্বালানির ফাঁদে কৃষি ও পরিবহন: সবুজ রূপান্তরই একমাত্র পথ

যাদের শ্রমে সমৃদ্ধি, তাদের জীবন কতটা নিরাপদ?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন কাঠামোর সন্ধানে

শ্রমিকের ঘাম, মালিকের বিলাস এবং ন্যায্য মজুরির প্রশ্ন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ