1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ওয়াদা বাস্তবায়নে সব বাধা প্রতিহত করা হবে: জয়নুল আবদিন ফারুক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ‘নজিরবিহীন ঘোষণা’য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ইংল্যান্ডের সঙ্গে খেলা বয়কটের হুমকি পিসিবির, জানতেন না সরফরাজ-বাবররা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে আগুন, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ‘চাপে পড়ে’ বিদেশি বাহিনীকে উদ্ধার কাজের অনুমতি দিলো নেপাল অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে ম্যাকাই টেস্ট নিয়ে হতাশা প্রকাশ তালহার সিনেমায় ফিরছেন বাপ্পারাজ

আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৮৭ Time View

চার কোটি টাকা আত্মসাত ও হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজিত চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার মেসার্স সিটি ফার্নিচারের মালিক রাঙ্গা সিংহ ও নগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ সিলেট মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক সাইফুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী শেখ পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাদী দুজনের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা চাঁদা হিসেবে নেন। এছাড়া তারাপুরের ভূমি জোরপূর্বক বিক্রির অর্থসহ ৪ কোটি টাকা আত্মসাত করেন বিজিত চৌধুরী। তিনি অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা আবু কাওছার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, কখনো ক্রীড়া সংস্থার, কখনো মন্ত্রীদের বন্ধু, কখনো পত্রিকার সম্পাদকসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় করেন। পাওনা টাকার বিপরীতে বাদীকে চেকও দেন বিজিত চৌধুরী। কিন্তু ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে চেক ফেরত আসে।

অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা বিজিত চৌধুরী বলেন, নগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ একটা সময় আমার কর্মচারী ছিল। সে কোনো একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা দায়ের করেছে। আমি তার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেব। নগেন্দ্র যে অভিযোগ এনেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট সেটি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে।

তিনি আরও বলেন, নগেন্দ্র বর্মণ আমাকে ব্যবসা করার জন্য পার্টনার হওয়ার অনুরোধ করেন। পরে আমি তাকে ব্যবসার জন্য বিভিন্ন সময়ে ২০ থেকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছি। এগুলোর কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। এছাড়া তার একটি ব্যাংক লোনেও আমি নিজে গ্রান্টার হিসেবে আছি। কিন্তু এখন সে কোনো মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ