1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিনেমা: ‘ট্রাইব্যুনাল’ ছাড়লেন ফারিয়া, জানেন না নির্মাতা নির্মাণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে চয়নিকার চার নাটক দারুণ পারফরম্যান্সে নজরে আসা জীবনের চোখে জাতীয় দলের স্বপ্ন ঢাকা-রংপুর লং মার্চ সফল করতে বিকেলে ঢাকায় জামায়াতের গণসংযোগ এশিয়ান গেমস উপলক্ষে জাপান সফরে সেনাবাহিনী প্রধান মাগুরা জেলা কারাগারের কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু, পরিবারের ক্ষোভ ভাঙার আগে শেষ দেখা: মগবাজারের ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী হাউজ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় কলম্বিয়ান মহাতারকার ব্রোকারেজ হাউস–মার্চেন্ট ব্যাংকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিট গঠনের নির্দেশ বিএফআইইউর শেয়ারবাজারে অর্থ পাচার ঠেকাতে গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি

কী করছেন শান্তির দূত আং সান সু চি?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৬
  • ১১১ Time View

49মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে গত কয়েকদিনের সহিংসতা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৩০ জনের  প্রাণহানি ঘটেছে। এ ছাড়া শত শত রোহিঙ্গা মুসলিম সহিংসতার আশঙ্কায় ও সেনা অভিযানে দেশটি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ছুটছেন। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তেও নেয়া কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বৃহস্পতিবার মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশের তিনটি বিশেষ সামরিক ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে, রাখাইন থেকে পালিয়ে নাফ নদী পাড়ি দেয়ার সময়ও নির্বিচারে রোহিঙ্গাদের গুলি করে হত্যার অভিযোগ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন। বুধবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে বলছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩০ রোহিঙ্গা মুসলিমের প্রাণহানি ঘটেছে।

taslima
নাফ নদীর তীরে এসব রোহিঙ্গার লাশ ফেলছে মিয়ানমারের সেনাসদস্যরা। বাংলাদেশের দিকে ছুটলেও সীমান্তে এসে ঠাই পাচ্ছেন না রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের পুশ ব্যাক করছে মিয়ানমারের দিকে।

এবার মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর এ নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, বাংলাদেশে মুসলমানরা হিন্দুদের মারছে। মিয়ানমারে বৌদ্ধরা মুসলমানদের মারছে। সংখ্যাগুরুরা সংখ্যালঘুদের মারছে। চারদিকে ঘৃণা আর ভায়োলেন্স। কী একটা দুঃসহ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা।

তিনি আরো লিখেছেন, বাংলাদেশের মানুষের কাছে রোহিঙ্গাদের কূকীর্তির কথা শুনি, রোহিঙ্গাদের ওপর বড় রাগ হয়। আবার রোহিঙ্গারা যখন অত্যাচারিত হয় মিয়ানমারে, তখন কষ্ট হয় ভীষণ। ২০১২ সালে ১৩০ জন রোহিঙ্গাকে মেরে ফেলা হয়েছে, দেড় লক্ষ রোহিঙ্গাকে উদ্বাস্তু করা হয়েছে। এবার তো মেরেছে ১৩০ জনকে, এবারও উদ্বাস্তু করেছে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে। মুসলিম গ্রামের ৪০০ বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে পালাচ্ছে মিয়ানমার থেকে। নৌকোয় চড়ে যেদিকেই যাক, পাড় নেই নৌকা ভেড়াবার।

rohingya

এরপরেই রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে নীরবতা নিয়ে গত সাত মাস আগে নির্বাচিত দেশটির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন  তসলিমা নাসরিন।

তসলিমা লিখেছেন, কী করছেন `শান্তির দূত` আং সান সু চি? মিয়ানমার আর্মিদের বর্বরতার বিরুদ্ধে মোটেও তো মুখ খুলছেন না। আসলে গদিতে এতই আরাম যে তা ধরে রাখার জন্য শান্তির দূত হয়েও চড়ান্ত অশান্তি করতে দ্বিধা করেন না। মানবাধিকারের জন্য সারা জীবন লড়াই করেও অন্যের মানবাধিকার লঙ্ঘন করতে এতটুকু লজ্জিত হন না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ