1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় জামায়াতের বিক্ষোভ বছরের প্রথমার্ধে সোনালী ব্যাংকের মুনাফা ১৯৩% বেড়ে ১,৮৭৮ কোটি টাকা ঢাকায় জব ফেয়ার করবে জেলা প্রশাসন তারেক রহমানের অপেক্ষায় নিউইয়র্ক, বরণে প্রস্তুত প্রবাসীরা হাসানুল হক ইনু আন্দোলন দমনের বৈঠকগুলোতে অংশ নিতেন অফশোর ব্যাংকিংয়ে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সুযোগ বাড়ল হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার ফিরে পেতে সিএনএনসহ তিন সংবাদমাধ্যমের মামলা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ জিদানের কোচিংয়ে খেলা এমবাপের কাছে ‘সিনেমার গল্পের মতো’ নগদে আইএফআইসি ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চুক্তি

ধর্ষিতা শিশুর ‘সাংঘাতিক’ চিঠি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৪
  • ৯৮ Time View

girl18শিশুটির বর্তমান বয়স মাত্র আট বছর। তিন বছর আগে এমন এক ঘটনা ও অভিজ্ঞতা তার হয়েছে যার ফলে এক ধাক্কায় মনে বয়সটা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর কেটে গেছে তিন বছর। কিন্তু বিচার পায়নি। কেউ তাকে ফিরে দিতে পারেনি স্বাভাবিক জীবন।

২০১১ সালের আগস্ট মাসের ঘটনা। ব্রিটেনের এসেক্সে এক দুপুরবেলা সারা ও পিটারের (ছদ্মনাম) একমাত্র মেয়েকে ধর্ষণ করে তাদেরই পরিবারিক বন্ধুর ১২ বছরের ছেলে। সেদিন ভয়ে-লজ্জায় কাউকে কিছু বলেনি সে। কিন্তু পরের দিন মাকে সব খুলে বলে। তার কথা মতো থানায় অভিযোগ করেন সারা ও পিটার।

এতে উল্টো বিপত্তি পড়েন তারা। অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার বদলে অভিযোগকারীদের পেছনে লাগে পুলিশের দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সু হ্যারিসন এবং ডেরেক বেনসন। তথ্য-প্রমাণ হিসেবে ডিএনএর নমুনা সংগ্রহ করা তো করেইনি বরং অভিযুক্তকে আড়াল করতে আইনের সঠিক ধারায় অভিযোগ পর্যন্ত দাখিল করেনি।

উপরন্তু অভিযুক্তের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে ২-৩ বার গ্রেপ্তার করা হয় পিটারকে। গত ৩ বছর ধরে মামলার নামে চলছে প্রহসন। হাজার হাজার পাউন্ড খরচ করেও মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পারেননি তিনি। তার ওপর পুলিশি হয়রানিতে অতিষ্ট।

গত দেড় বছর ধরে মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাদের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে সে মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত যে অতটুকু বয়সে দিনের পর দিন ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে বসে থাকত। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তদন্তকারী দুই কর্মকর্তাকে সে একটি চিঠি লিখেছে। যেটা পড়লে বিশ্বের যে কোনও পুলিশের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে যাবে। তার চিঠির সরল অনুবাদ করলে যা দাঁড়ায়:

ডিয়ার স্যার,
যখন পাঁচ বছরের ছিলাম, তখন আমার সঙ্গে খুব বাজে একটি ঘটনা ঘটে। আপনাদের দায়িত্ব ছিল যাতে দোষী শাস্তি পায়। কিন্তু আপনারা আপনাদের কাজ ঠিক করে করেননি। আমায় খুব হতাশ করেছেন। খুব রাগও হচ্ছে আমার, আমি তখন ছোট্ট একটি মেয়ে ছিলাম। এখন আমার বয়স আট। এখনও পর্যন্ত সে কোনও শাস্তি পায়নি।

সে আমার থেকে বয়সে বড় ছিল বলেই কি আপনারা বুঝে-শুনে করেছেন? আমি আপনাদের বিশ্বাস করেছিলাম। ভেবেছিলাম এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে আপনারা আমায় মুক্তি দেবেন। কিন্তু তা করেননি। ভাবতাম, পুলিশের কাজ বাজে লোকদের ধরে তাদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা। আপনারা তা করেননি। আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন আমি আপনাদের ওপর খুবই হতাশ।

আমার মনে হয় আপনাদের আমায় দুঃখ প্রকাশ করে একটা চিঠি লেখা উচিৎ। আমি যখন বন্ধুদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করি আমিও তাদের চিঠি লিখে দুঃখ প্রকাশ করি। আশা করি ভবিষ্যতে আপনারা এমন কাজ করবেন না। আশা করি, দোষী খুব শিগগিরই উপযুক্ত শাস্তি পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ