1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
স্থানীয় সরকারের সব অফিসের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হবে: মীর শাহে আলম বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: তথ্য উপদেষ্টা দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাপানি ভাষা শিখে বিনা খরচে বিদেশে চাকরির সুযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের: মাহ্‌দী আমিন রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০১, মামলা ৫৩ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘একটি গাছ লাগান, হাজার প্রাণ বাঁচান’ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ম্যাক্সওয়েল নামলেই নারিনকে আনুক গম্ভীর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ মে, ২০১৪
  • ১২৫ Time View

সোজাসুজি বলে ফেলা যাক, আমার কাছে কাল মঙ্গলবার ইডেনে কিংস ইলেভেন ম্যাচটাই কেকেআরের কাছে ফাইনাল৷ টানা সাতটা ম্যাচ জিতেছে কেকেআর৷ এখন মোমেন্টামটা ধরে রাখাটাই আসল পরীক্ষা৷ টানা জিতে আসতে আসতে একটা ম্যাচ পিছলে গেলে কিন্ত্ত মোমেন্টাম বা ছন্দটা ধাক্কা খাবে৷ সেটা রাখতে পারাটাই কেকেআরের চ্যালেঞ্জ৷image_83462_0

পাঞ্জাব ম্যাচ জিততে হলে কী কী করা দরকার, তার একটা রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা করা যাক৷

১. তিন স্পিনারের ছক: প্রথমেই বলে রাখি, নারিন-সাকিবের সঙ্গে তিন নম্বর স্পিনার হিসেবে ফিরিয়ে আনা দরকার পীযূষ চাওলাকে৷ বিনয় কুমারের জায়গায় পাঞ্জাব ম্যাচে নাইটদের বাজি হতে পারে চাওলা৷ লেগ স্পিনার হিসেবে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা আছে, ইডেনে এ বার যা উইকেট হয়েছে, ১২৫ বা ১৩০ কিলোমিটারের বিনয় কুমারের চেয়ে একটা লেগ স্পিনার কাজে লাগবে গম্ভীরের৷ আগের দিনই দেখা গিয়েছে, বিনয় বা উমেশকে যথেচ্ছ মেরেছে সানরাইজার্স ব্যাটসম্যানরা৷ এদের দু’জনের মধ্যে এক জনকে বসতে হবে৷ উমেশকেও বসানো যেতে পারে, কারণ বিনয়ের ব্যাটের হাত ওর চেয়ে ভালো৷

২. টস জিতে ব্যাটিং: কিংস ইলেভেন টিমটা এমন, ভালো উইকেট পেলে ২২০-ও অনায়সে তাড়া করতে পারে৷ সেই ক্ষমতা ওদের ব্যাটসম্যানদের আছে৷ সে জন্য টস জিতলে নাইটদের খোলা মনে ব্যাটটা করে নেওয়া উচিত৷ এবং ১৬০ বা ১৭০ লক্ষ্য রেখে ইনিংসটা গড়া উচিত৷ তারপর তো ইউসুফ বা সাকিবদের ব্যাটে রান এসে অতিরিক্ত ১৫ বা ২০ যোগ হতেই পারে৷ মোট কথা, পাওয়ার প্লে-তে ভালো শুরু, প্রথম ১৫ ওভারে দুটো বা তিনটের বেশি উইকেট না হারানো আর ভদ্রস্থ একটা রান রেট রেখে যাওয়া৷ এটুকু করতে পারলেই কাজ হবে৷

৩. ম্যাক্সওয়েল-মিলারকে আটকানো: মনে রাখা দরকার এর আগে নাইটদের বিরুদ্ধে দুটো ম্যাচেই কিন্ত্ত রান পায়নি ম্যাক্সওয়েল৷ কাজেই ওর মধ্যে খিদেটা থাকবে৷ প্লাস নারিনকে খেলার চ্যালেঞ্জ৷ ম্যাক্সওয়েল-মিলার জুটি একবার দাঁড়িয়ে গেলে হাসতে হাসতে ম্যাচ নিয়ে যায়৷ সেখানে অবশ্যই গম্ভীরের অস্ত্র নারিন৷ ইডেনের উইকেটে ওকে মারা পৃথিবীর কঠিনতম কাজগুলোর একটা৷ ওকে বুদ্ধি করে ব্যবহার করছে গম্ভীর৷ প্রয়োজনে ম্যাক্সওয়েল ক্রিজে এলেই নারিনকে আনা দরকার৷ যাতে ওর ওই শুরু থেকেই চালাব, ছন্দটা নষ্ট করে দেওয়া যায়৷

৪. মর্কেলের চার ওভার: নতুন বলে ১৪৫ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বলটা করছে মর্কেল৷ বরং পরের দিকে বল করতে এলে মার খেয়ে যাচ্ছে৷ পাওয়ার প্লে-তে তিন ওভার দিয়ে ফেলে না রেখে প্রয়োজনে টানা চারটে ওভার করানো যেতে পারে৷ তাতে ফাউ হিসেবে দুটো উইকেট চলে আসতে পারে৷ ডেথ-এর জন্য ওকে ফেলে রেখে লাভ নেই৷

৫. উত্থাপ্পা ফ্যাক্টর: রোজই রান করে দিচ্ছে, প্লে অফেও নাইটদের ভালো শুরুর জন্য ওর দিকেই তাকাতে হবে৷ কিন্ত্ত এখানেই ভয় থাকছে৷ কোনও এক দিন ল অফ অ্যাভারেজ ওকে আগে ফেরাতে পারে৷ এটা মাথায় রাখতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে৷ সে ক্ষেত্রে গম্ভীর বা মণীশকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে৷ প্রত্যেক ক্রিকেটারের জীবনেই একটা সোনার সময় আসে৷ উত্থাপ্পা এখন সেই সময়টার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে৷ আর দুটো ম্যাচ এই ফর্মে খেলতে পারলে পরেরবার দর পাওয়া নিয়ে ভাবতে হবে না৷ আবার বলছি, এ বার নাইটদের সাফল্যের পিছনে উত্থাপ্পা আর নারিনের অবদানই সবচেয়ে বেশি৷ আশা করা যাক, কিংস ইলেভেন বোলিং নিয়েও ছিনিমিনি খেলবে রবিন৷

৬. ইডেনের সমর্থন: এই যে তিন থেকে দুইয়ে উঠে আসা, এটা যে কোনও টিমকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগায়৷ টিমের মনে হয়, আমাদের পক্ষে সব সম্ভব৷ এই ফর্ম্যাটে টানা সাতটা ম্যাচ জেতা কম কথা নয়৷ ইডেনে কেকেআরের জন্য সমর্থনটাও খুবই স্বতঃস্ফূর্ত৷ একটা সিটও ফাঁকা পড়ে থাকছে না৷ শাহরুখ খান একটা ম্যাচেও আসেনি৷ তাতে কিন্ত্ত ইডেনের সমর্থনে কোথাও ভাটা পড়েনি৷ এটা কম কথা নয়৷ যখন বাংলা বা কলকাতার কোনও মুখ কেকেআরে নেই৷

২০১২ সালে যে টিমটা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তারাও শেষ দিকে টানা জিতেছিল৷ কারণ ওই মোমেন্টাম৷ যেটা এই কেকেআরের মধ্যে ভীষণ ভাবে ঢুকে পড়েছে৷ তাই জন্যই ওদের অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে৷

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ