1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বগুড়ায় মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৩ ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না : সড়কমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী চা বিক্রেতা নানি-নাতনির কাছে ‘ঈদ উপহার’ পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে তেল আবিবে ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ ইরানের ডিডিএলজে-র ৩০ বছরের রেকর্ড ভাঙল রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’ চেলসিকে ‘ইতিহাস গড়া’ ৮-২ গোলের লজ্জা উপহার দিল পিএসজি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পোর্টিং সিপি ‘ফিনালিসিমা’ বাতিলের পর কাদের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোলে সিটির স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টারে রিয়াল

‘খবরকাগজের দিন শেষ’: ওবামা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৩
  • ১১০ Time View

obamaসকাল বেলায় হকারদের ক্রিং ক্রিং শব্দ কানে আসতেই বিরক্তিভরে আড়মোচা ভেঙে ঘুম থেকে ওঠা। মানে হচ্ছে, খবরের কাগজ এসে গেছে। তারপর চায়ের কাপটি হাতে নিয়ে ঝঁটিকা হেডলাইন পড়ে ফেলা৷ দিনশুরুটা এভাবেই হয়ে এসেছে এতদিন৷ কিন্ত্ত হঠাত্‍ যদি সেই রুটিনটা পরিবর্তন হয়৷ অর্থ্যাৎ যদি খবরকাগজ না আসে আর? ‘ভেবেই অস্বস্থি হচ্ছে’ মন্তব্য এক কেরানির৷ আমেরিকার সর্বাধিক প্রচারিত এক সংবাদপত্রের চোখ বুলিয়ে দিন শুরু করেছেন এতকাল৷ এতকাল বলতে? জানালেন ‘প্রায় চল্লিশ বছর৷

কিন্তু হঠাৎ পরিবর্তন!! মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সাম্প্রতিক এক সাক্ষাত্‍কারের মন্তব্য৷ সাক্ষাত্‍কারে ওবমা বলেন,’খবরকাগজের দিন শেষ৷’

বুধবারের এই সাক্ষাত্‍কারে ওবামা বলেন, ‘কাগজ বিক্রির হিসেব কমছে৷ হালফিলের কাগজগুলো টিমটিম করে টিকে আছে৷ কিন্তু পড়তি কারখানার মতো এই টিকে থাকার সঙ্গে কখনই স্বর্ণযুগের সংবাদপত্রের দাপটকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না৷’

ওবামার ভবিষ্যত্‍বাণীটি নিয়ে শোরগোল গোটা দুনিয়ায়৷

উল্লেখ্য, সাক্ষাত্‍কারটি প্রকাশিত হয় নামকরা একটি সাইটে৷ আর সংবাদপত্রে মৃত্যুর মূল কারণ হিসেবে অন্তর্জাল ব্যবস্থার রমরমাকেই দায়ী করেছেন ওবামা৷কিন্তু সিনেমার জন্মের পরও তো সমানভাবেই ছিল বইয়ের আকর্ষণ? মানুষতো ভুলে যায় নি বই পড়তে? তবে কেন অন্তর্জাল ব্যবস্থা কেড়ে নেবে সংবাদ পত্রেরগুরুত্ব? ওবামার ছোটো-হাসি জবাব, ‘কারণটা সহজ৷ ব্যবসা৷ ………’তারপর ছোটো বিরতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘দেখুন, মধ্য বিত্তের সুখের দিন গিয়েছে৷ রোদে পিঠ দিয়ে বসে খবর কাগজ পড়াটা এখন বিলাসিতা৷’তাঁর মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক নয়৷ হিসেবে বলছে, আমেরিকায় হাতে গোনা কয়েক টি কাগজের ভালো বিক্রি আছে৷কিন্তু সেটুকু দিয়ে কী ঠোকনো যাবে খবর কাগজের আয়ু? ফলে ওবামার দাবি’মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে৷’

এদিকে, আমেরিকার একের পর এক সংবাদপত্র দপ্তর গুলির দরজায় তালা ঝুলছে৷বেকার হচ্ছেন শয়ে শয়ে সাংবাদিক৷ কাজ হারিয়ে পথে বসছেন অসংখ্য ছাপাখানার কর্মী৷বিজ্ঞাপনদাতারাও অধিক ভরসাযোগ্য মনে করছেন সাইটগুলিকেই৷নিয়মিত সেখানেই বিজ্ঞাপন দিচ্ছেনতাঁরা৷ ফলে, শুকিয়ে যাচ্ছে খবর কাগজ৷শুকিয়ে যাচ্ছে, সাদাপাতার ওপর কালো কালো অক্ষরের বর্ণময় জাদু৷ ছাপার কালিরগন্ধ৷

বিশেষজ্ঞরা যদিও গোটা বিষয়টিকে নতুন প্রজন্মের পড়ার অভ্যাস কমে যাওয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন৷ তাঁদের মতে, আই-প্যাড স্ক্রিনের পর্দায় ভেসে ওঠা নিউজ আপডেটে অভ্যস্থ জেন-ওয়াইয়ের কাছে কাগজের পাতা ওল্টানো টা সত্যিই’ বিলাসিতা’৷পাশপাশি তাঁদের মন্তব্য, এই প্রজন্ম সচেতন থাকতে চায় না৷ চায় হাত গরমগল্প৷খবর কাগজ পড়লে সচেতনতা বাড়েতো ঠিকই, সেই সঙ্গে বাড়ে সাক্ষরতাও৷ ফলে, সহজেই বোঝা যায়, কেন কাগজের পাতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে এই প্রজন্ম৷

কিন্তু নিয়মিত কাগজ-পড়ুয়া মার্কিনদের মুখ বেশ ফ্যাকাশে হয়েছে ওবামার মন্তব্যে৷ কিছুতেই তাঁরা বুঝতে পারছেন না, কীভাবে মুছে দেবেন এতকালের অভ্যাস৷ এক পোশাক বিক্রেতার মন্তব্য, ‘নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার মতোই রক্তে-মজ্জায় মিশে আছে এই অভ্যাস৷ কীভাবে উপড়ে ফেলব সেটা?’ সেই সঙ্গে খবর কাগজবন্ধ হলে কাজ হারাবেন অসংখ্য কাগজ বিক্রেতারা৷

তাই ওবামা যতোই বলুন, ‘খুচরো বিক্রির কোনও দ্রব্য আর খবর কাগজে  মধ্যে বিশেষ ফারাক নেই’৷পাঠকের কাছে ‘প্রাণবায়ু’ হয়ে ওঠা খবর কাগজের ভবিষ্যত্‍হীনতা নিয়ে তাঁর মন্তব্য হতাশ করেছে দেশ বাসীকে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ