1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৬ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদকে পথ রোধ করে হেনস্তা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে। তবে প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে একে মিথ্যা প্রচারণা হিসেবে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মুসাদ্দিক আলী এই অভিযোগ করেন। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থনে নির্বাচিত এই ডাকসু নেতার ভাষ্যমতে, দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি যখন কলা ভবনের পেছনের ফটক দিয়ে ক্লাসে যাচ্ছিলেন, তখন আলাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা পথ রোধ করে দাঁড়ান। মুসাদ্দিক বলেন, ‘আমি তাকে চিনতে না পেরে পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং আমাকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি আমার দাঁত ফেলে দেওয়ার ভয় দেখান এবং মারতে উদ্যত হন।’

সংবাদ সম্মেলনে মুসাদ্দিক আরও দাবি করেন, আলাউদ্দিনের সহযোগীরা তাকে সরিয়ে নিলেও তিনি বারবার তেড়ে এসে হামলার চেষ্টা করেন এবং যাওয়ার সময় গুরুতর হুমকি প্রদান করেন। এই ঘটনাকে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অন্তরায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, মুসাদ্দিক তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোথাও ভিত্তিহীন প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছেন এবং সেই বিষয়ে তিনি কেবল জবাব চেয়েছেন। আলাউদ্দিনের দাবি, ‘আমিও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার নামে ছড়ানো মিথ্যা তথ্যের ব্যাখ্যা চাওয়া কোনো অন্যায় হতে পারে না। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।’

পেশাগত ও শিক্ষাগত পটভূমি অনুযায়ী, মো. আলাউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। রাজনৈতিক মামলার কারণে তার শিক্ষা জীবন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে তিনি পুনর্ভর্তি হন এবং বর্তমানে ২০২৩-২৪ সেশনে দ্বিতীয়বারের মতো ভর্তি হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ