1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ প্রাপ্ত সহায়তার দ্বিগুণের বেশি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ Time View

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পাওয়া বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয় করেছে বাংলাদেশ। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক প্রতিবেদনে বৈদেশিক ঋণের চাপ বাড়ার এ উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৩৫১.২৩ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, বৈদেশিক সহায়তার ছাড় কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬২.৩১ মিলিয়ন ডলারে। ফলে এ সময়ে বৈদেশিক সম্পদের নিট প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে ঋণাত্মক হয়েছে।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতি ১ ডলার বৈদেশিক সহায়তা পাওয়ার বিপরীতে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ২.০৪ ডলার ব্যয় করেছে বাংলাদেশ। বৈদেশিক সম্পদের প্রবাহে এটি একটি উল্লেখযোগ্য বিপরীত চিত্র।

ইআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে সরকার ১.৩৫১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে ৫.৬ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে মোট ঋণ পরিশোধের মধ্যে আসল বাবদ দেওয়া হয়েছে ৮৫৮.৯২ মিলিয়ন ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৮১৬.৯৯ মিলিয়ন ডলার।

একই সময়ে ঋণের সুদ পরিশোধের পরিমাণও বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের ৪৬২.৯৬ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় এবার সুদ বাবদ ব্যয় হয়েছে ৪৯২.৩১ মিলিয়ন ডলার।

বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ব্যয় এমন সময়ে বেড়েছে, যখন বিদেশি সহায়তার প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে উন্নয়ন সহযোগীরা ৬৬২.৩১ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক সহায়তা ছাড় করেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১.১৪৯ বিলিয়ন ডলার।

এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক সহায়তার ছাড় কমেছে প্রায় ৪২.৩ শতাংশ বা ৪৮৬.২৮ মিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ছাড় করা মোট বৈদেশিক সহায়তার মধ্যে ৫৪১.৭৪ মিলিয়ন ডলার এসেছে ঋণ হিসেবে এবং ১১০.৫৭ মিলিয়ন ডলার অনুদান হিসেবে।

এই হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে যত অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় করেছে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে।

তবে নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা ১.২৭৩ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ৯১০.৬৭ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

নতুন প্রতিশ্রুতির মধ্যে ১.১৪৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ এবং ১২৫.৪৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান হিসেবে দেওয়ার কথা রয়েছে।

কর্মকর্তারা বলেন, সর্বশেষ পরিসংখ্যানে নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও প্রকৃত অর্থ ছাড়ের মধ্যে ব্যবধান বাড়ার চিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রতিশ্রুতি বাড়লেও প্রকৃত অর্থ ছাড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সময়ে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের তাৎক্ষণিক বৈদেশিক অর্থায়ন পরিস্থিতি চাপে ছিল।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ