হুতিরা জানিয়েছে, সৌদি আরবের পবিত্র শহর মদিনার দিকে কোনো ড্রোন ছোড়েনি তারা।
সৌদি আরবের মদিনা শহর। ছবি: আরব নিউজ
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া পাঁচটি ড্রোন বাধা দিয়ে ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।
সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল মালকি বুধবার এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, “সৌদি আরবের দিকে ছাড়া চারটি ড্রোন বাধা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।”
আল অ্যারাবিয়া জানিয়েছে, এরপর দ্বিতীয় আরেক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ও মদিনায় ঘটনাগুলো ঘটেছে।
এরপর পৃথক আরেকটি পোস্টে তিনি জানান, পূর্বাঞ্চলে আরও একটি ড্রোন প্রতিহত করেছেন তারা।
রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার ইয়েমেনের হুতিরা জানায়, সৌদি আরবের পবিত্র শহর মদিনার দিকে কোনো ড্রোন ছোড়েনি তারা আর সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানও পরিচালনা করেনি।
ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী এর আগে পূর্বাঞ্চল ও মদিনায় ড্রোন ধ্বংসের যে দাবি করেছিল তা প্রত্যাখ্যান করেছেন হুতিদের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী হুতি মিলিশিয়াদের সঙ্গে লড়াই করছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই লড়াই তীব্র আকার ধারণ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের আরেকটি রণক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে হুতিরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রায়ত্ত বৃহৎ তেল কোম্পানি আরামকোতে হামলা চালিয়েছিল। এতে সৌদি আরবের বিমান চলাচল ও তেল রপ্তানি বিঘ্নিত হয়েছিল।
মঙ্গলবার ইয়েমেনের সাবওয়া প্রদেশে সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণ শিবিরে হুতিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৭৩ জন নিহত হন। এরপর হুতিরা বুধবার ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের কেন্দ্রস্থল এডেনের বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটে নিমজ্জিত দেশ ইয়েমেনে ২০১৪ সাল থেকে গৃহযুদ্ধ চলছে। ওই সময় হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নিয়ে তৎকালীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এর এক বছর পর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন আরব জোট বাহিনী ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করলে যুদ্ধ সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরব পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
আট মাসেও কাটেনি অস্থিরতা: জনমনে স্বস্তি ফেরানো জরুরি
আফিম থেকে ইয়াবা: মিয়ানমারের মাদক-যুদ্ধে ভুক্তভোগী বাংলাদেশ
আমেরিকা কি সত্যি ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের পথে যাচ্ছে?
প্রবাসী বন্ড ও সমন্বিত উন্নয়ন: সিলেটের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ