1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ সচিবের দায়িত্বে রদবদল, কে কোথায় জামায়াত-শিবির-এনসিপি দুর্গাপূজা নিয়ে রাজনীতি করছে: ছাত্রদল সেক্রেটারি ১৫ বছরে দেখা যাবে, চাকরি পাচ্ছে প্রতি তিনজনে একজন: বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট শীর্ষ প্রশাসনে বড় রদবদল বাংলাদেশে অবকাঠামো, লজিস্টিকস ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুর সিলেটে অনুষ্ঠিত হল ‘উদ্যোক্তা উৎসব’ ঢাকা থেকে বাইক ‘চুরি করে কুমিল্লা-নোয়াখালীতে সরবরাহ’, গ্রেপ্তার ৬ খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ‘উন্নতি’ হয়েছে: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘নব্য ফ্যাসিবাদেরও পতন হবে’, বিএনপি সরকারকে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

১৫ বছরে দেখা যাবে, চাকরি পাচ্ছে প্রতি তিনজনে একজন: বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ Time View

এ চ্যালেঞ্জকে পরিসংখ্যান আকারে না দেখে তারুণ্যের মর্যাদার নিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যতের বিনিয়োগ আকারে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন অজয় বাঙ্গা।

বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জনমিতির রূপান্তর যেভাবে ঘটছে, তাতে চাকরির বাজারে বিরাট এক দুঃসময় আসতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।

তার পূর্বাভাস বলছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বিশ্বের ১২০ কোটি তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করবে। কিন্তু সেখানে প্রতি তিনজনে কেবল একজন তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় শুক্রবার এ পূর্বাভাস তুলে ধরে বিশ্ব অজয় বাঙ্গা। বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় রোববার তার ভাষণের অনুলিপি প্রকাশ করে।

আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের এই বার্ষিক সভা রোববার শেষ হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল এই সভায় অংশ নেয়।

অজয় বাঙ্গা বলেন, “আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ১২০ কোটি তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করবে, যেখানে কর্মসংস্থান হবে প্রক্ষেপণ অনুযায়ী মাত্র প্রায় ৪০ কোটি।

“এই প্রজন্মই আগামী শতাব্দীকে গড়বে। আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নেব, তা-ই নির্ধারণ করবে কীভাবে তাদের আগামী।”

তার ভাষ্য, “এই দুই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যই আমরা কাজ করে আসছি: সীমিত সম্পদকে আরও বেশিদূর বা বেশিদিন পর্যন্ত কার্যকর রাখা এবং একই সঙ্গে দেশগুলোকে বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করা। এই দুটিকে একসঙ্গেই মোকাবিলা করতে হবে।”

এ চ্যালেঞ্জকে অংক বা পরিসংখ্যান আকারে না দেখে তারুণ্যের মর্যাদার নিশ্চয়তা ও ভবিষ্যতের বিনিয়োগ আকারে দেখার পরামর্শ দেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, “আজ চ্যালেঞ্জটি আসছে অংকের রূপে: প্রায় ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি। এই সংখ্যার পেছনে আছে রয়েছে এমন এক তরুণী-যার ডিগ্রি রয়েছে কিন্তু তার জন্য কোনো নিয়োগকর্তা নেই।

“আছে এমন এক তরুণ, যে দক্ষ, কিন্তু তিনি বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। এমন এক প্রজন্ম রয়েছে, যারা জিজ্ঞাসা করছে– ‘আমার জন্য কি কোনো কর্ম খালি আছে?’”

অজয় বাঙ্গা বলেন, “কর্মসংস্থান কোনো পরিসংখ্যান নয়। কর্মসংস্থান হচ্ছে মর্যাদার ভিত্তি। এটি সেই পার্থক্য, যা ভবিষ্যৎ গড়তে পারা এক তরুণ আর ভবিষ্যতের অপেক্ষায় থাকা এক তরুণের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। সেই সম্ভাবনা যদি বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে তার পরিণতি সীমান্ত পেরিয়ে যাবে।”

আবার সুযোগ তৈরি করে দিলে তার প্রভাবও দেশের সীমানা ছাড়িয়ে যায় বলে তুলে ধরেন তিনি। সেজন্য সরকারি, বেসরকারি জনকল্যাণমূলক সংস্থার সহায়তা ও বিনিয়োগের কথা তিনি বলেন।

ব্যাংককের এ সভায় বিশ্ব ব্যাংকের কাছে দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকটসহ নানাবিধ ব্যয় মেটাতে বাড়তি ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণের জন্য আলোচনা করেছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি এখানে একটা জিনিস স্পষ্ট করে বলতে চাই। এখানে কোনো সিদ্ধান্ত হচ্ছে না কিন্তু। আমি অনেকগুলো ভুল রিপোর্টিং দেখতে পাচ্ছি এখানে-সেখানে। এটা একটা আলোচনা।

“এই আলোচনার ভিত্তিতে একটা ফলোআপ হবে। এটা একটা, এটা একটা প্রক্রিয়া। এটা আগামী কয়েক মাস চলবে। এখানে যে আলোচনাটা হচ্ছে, এটা একটা ভিত্তি আলোচনা। এই ভিত্তির উপর যে প্রসেসটা অব্যাহত থাকবে এবং এটা পরিপূর্ণভাবে শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগবে। সুতরাং এখান থেকে এই যে কোনো সিদ্ধান্ত, ফাইনাল কোনো সিদ্ধান্ত হবে–এটা প্রত্যাশা করা ভুল হবে।”

ওইদিন সভার এক ফাঁকে বিশ্ব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) অনশুলা কান্তের সঙ্গে বৈঠক করে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

জি ডব্লিউ চৌধুরী: বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেননি যে বাঙালি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী

অর্থনীতির নোবেল, আস্থার সংকট ও বাংলাদেশের বাস্তবতা

মওদূদী কেন জিন্নাহবিরোধী-২: জিন্নাহবিরোধী মওদূদী, মওদূদীমুখী পাকিস্তান

ভাইব কোডিং থেকে এজেন্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ