1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি ও সংস্কারে জোর আইএমএফের আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত চিংড়ি রপ্তানিতে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর এসবির সাবেক প্রধান মনিরুলসহ ৪ জনের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ যেসব অঞ্চলে শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে রংপুর মেডিকেলে বছরে এক হাজার দুই শত স্তন ক্যানসার অস্ত্রোপচার, সচেতনতার তাগিদ চিকিৎসকদের কুড়িগ্রামে বিএনপির কমিটিতে শিক্ষক-ব্যাংকারসহ ৬ সরকারি চাকরিজীবী অর্থপাচার বন্ধ হওয়াটা নির্ভর করছে ‘সহায়তাকারীদের’ উপর: উপদেষ্টা তিতুমীর বগুড়ায় এনসিপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, ভিডিও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি ও সংস্কারে জোর আইএমএফের

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭ Time View

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশকে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখা ও আর্থিক খাতের সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি মনে করছে, শুধু মুদ্রানীতি কঠোর রেখে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। এ জন্য আর্থিক খাতের সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন জরুরী।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় মুদ্রানীতির পাশাপাশি অন্যান্য কাঠামোগত সংস্কারও জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে আজ বৃহস্পতিবার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের উপপরিচালক সোনালি জৈন চন্দ্র।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু কঠোর মুদ্রানীতি যথেষ্ট কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্কারও প্রয়োজন। বাংলাদেশ বর্তমানে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, আর্থিক খাত এবং মূল্যস্ফীতি—এই তিন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

আর্থিক খাতের সংস্কারে তাগিদ বাংলাদেশের আর্থিক খাতের দুর্বলতা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে আইএমএফ। সংস্থাটির মতে, দেশের আর্থিক খাত বর্তমানে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে খাতটির সক্ষমতা বাড়ানো এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য সংস্কার কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আর্থিক খাতের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে কার্যকর সংস্কার গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে সংস্থাটি। একই সঙ্গে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নীতিগত পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর পরামর্শ বাংলাদেশের দুর্বল রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতিও আইএমএফের উদ্বেগের অন্যতম কারণ। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দেশে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ধারাবাহিকভাবে কমেছে। বর্তমানে এ অনুপাত প্রায় ৭ শতাংশ, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন অনুপাতগুলোর একটি।

আইএমএফ মনে করে, উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহ, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করতে রাজস্ব আয় বাড়ানো জরুরি। এ জন্য রাজস্ব ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এদিকে বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সোনালি জৈন চন্দ্র জানান, আগের কর্মসূচির আওতায় আর ঋণের কিস্তি না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর গত মে মাসে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আইএমএফের সহায়তায় নতুন একটি কর্মসূচির অনুরোধ জানায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত জুলাইয়ে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে। ওই সফরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় উঠে আসা সংস্কারের বিষয়গুলো চলতি বছরের আর্টিকেল ফোর পরামর্শে দেওয়া সুপারিশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানান আইএমএফের এই কর্মকর্তা।

জুলাইয়ের সফরের পর থেকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইএমএফের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে সংস্থাটি আগ্রহী বলেও জানান সোনালি জৈন চন্দ্র।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ