রপ্তানি ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ নিশ্চিতেরও আহ্বান জানিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির অবস্থান শক্তিশালী করতে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রমিকের অধিকার এবং উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত ‘ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি’ নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, “চিংড়ি চাষের জমির পরিমাণে এগিয়ে থাকলেও রপ্তানিতে প্রতিবেশী ভারতের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এ ব্যবধান কমাতে উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চিংড়ি খাতবিষয়ক এক সংলাপে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরে বে অ্যাকোয়ারিয়াম (এমবিএ) এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সদস্য প্রতিষ্ঠান টোটালফুড প্রসেসিং লিমিটেড যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
চিংড়ি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “গত বছর বাংলাদেশের হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি ১৯ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তবে এ খাতে প্রবৃদ্ধির সুযোগ আরও অনেক বেশি।
“২০২৪-২৫ সালে ভারত ৫০০ কোটি ডলারের বেশি চিংড়ি রপ্তানি করেছে। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে চিংড়ি চাষের জমি প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি থাকা সত্ত্বেও রপ্তানিতে পিছিয়ে থাকার বিষয়টিকে উৎপাদনশীলতা ও মানোন্নয়নের বড় সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে।”
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস ও অদৃশ্য শ্রমের গল্প
কী মধু ভিসি পদে, সবাই কেন ইঁদুর দৌড়ে?
‘হোটেল রুয়ান্ডা’র বাইরের গল্প এবং নাভি পিল্লাইয়ের লড়াই