1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পূবালী ব্যাংক ও মাস্টারকার্ডের অফশোর ডেবিট কার্ড চালু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সব খেলা টফিতে, আগাম পাস ৪৯ টাকা দুর্গাপূজায় বুড়িমারী স্থলবন্দরে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ খুলনায় সাবেক কাউন্সিলর টিপুর বাসায় ডিবির অভিযান : গুলিসহ বড় ভাই … খুলনা ওয়াসার প্রকৌশলী রেজাউকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ভুটানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সাক্ষাৎ বাংলাদেশের বিপক্ষে বিনা অনুমতিতে মাঠে ঢুকে শাস্তি পেলেন আফগান ক্রিকেটার সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ উদ্যোগী হবে, আশা ভারতের বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সহযোগিতার আশ্বাস পৌর ভবনের ছাদ ধসের ঘটনায় তদন্ত কমিটি, গ্রেপ্তার ১

খুলনা ওয়াসার প্রকৌশলী রেজাউকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

৯৪ কোটি টাকার চেক কেলেংকারী

ঃ খুলনা ওয়াসার ২ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাহী প্রকৌশলী-১ মো. রেজাউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁকে ঘিরে ৯৪ কোটি টাকার চারটি চেকের ফটোকপি ছড়িয়ে পড়া এবং একই গৃহসংযোগের বিপরীতে দ্বিতীয়বার বিল দাখিলের অভিযোগ সামনে এসেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা ওয়াসা ভবনে তার কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ও অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত নথিপত্র পর্যালোচনা করেন দুদকের কর্মকর্তারা।

দুদক ও ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, পানি সরবরাহ প্রকল্প ফেজ-২ এর প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) রুটিন দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল ইসলাম। ২০২৫ সালে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি এ দায়িত্ব পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি প্রভাবশালী মহলকে প্রায় ৯৪ কোটি টাকার খালি চেক দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, রেজাউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ও অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত নথিপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।

এর আগে পাঁচ হাজার গৃহসংযোগে পাইপ ও ফিটিংস স্থাপনের কাজের চূড়ান্ত বিলের নথিতে একই সংযোগের বিপরীতে দ্বিতীয়বার বিল জমা দেওয়ার অভিযোগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর রেজাউল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

এদিকে প্রকল্পের পিডির রুটিন দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগের এক আদেশে তাঁকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। প্রকল্প পরিচালকের পদটি চতুর্থ গ্রেডের হলেও রেজাউল ইসলাম ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা হওয়ায় তাঁর দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়া চারটি চেকের ফটোকপি নিয়েও আলোচনা চলছে। ফটোকপিতে সাউথইস্ট ব্যাংকের খুলনা শাখার একটি হিসাব থেকে ২৪ কোটি টাকা করে দুটি এবং ২৩ কোটি টাকা করে আরও দুটি চেক প্রস্তুতের তথ্য দেখা যায়। চারটি চেকের মোট অর্থের পরিমাণ ৯৪ কোটি টাকা। ফটোকপিতে মো. নাহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির স্বাক্ষরও দেখা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে চেকগুলোর হিসাবের মালিকানা, স্বাক্ষরের সত্যতা ও লেনদেনের উদ্দেশ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খুলনা ওয়াসার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেন, চেকগুলোর স্বাক্ষর রেজাউল ইসলামের। তবে এ দাবিরও স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করে রেজাউল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সঠিক নয়। শোকজের জবাবও আমি দেব। চেকের ফটোকপি ও সংশ্লিষ্ট হিসাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো আমি জানি না। এসব বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।

খুলনা ওয়াসার প্রকৌশলী রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি। তিনি বলেন, দুদকের তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসা উচিত। অভিযোগে যে-ই জড়িত থাকুন, তাঁকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এরপর বিচার ও শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ