1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ: শাট ডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার হৃদয়ের কোনো সংকেত অবহেলা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব বিমান বাহিনীর ফ্লাইট সেফটি কোর্সের সনদপত্র বিতরণ ব্র্যাক ব্যাংকের হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড সাউথইস্ট ব্যাংকের বন্ড অনুমোদন মির্জা ফখরুলের ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়বেন বিএনপির দুই নেতা সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ: বৈঠকে সমাধান মেলেনি, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলন চলবে, ক্যাম্পাস ছাড়তে পারবেন না শিক্ষকরা

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলন চলবে, ক্যাম্পাস ছাড়তে পারবেন না শিক্ষকরা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২ Time View

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বদলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলনের তৃতীয় দিন সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রশাসনিক ভবনে সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষার্থীরা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সেইসঙ্গে শিক্ষকরা ক্যাম্পাস ছাড়তে পারবেন না বলে জানান তারা।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বদলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলন তৃতীয় দিন মঙ্গলবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনে সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

এর মধ্যে আন্দোলনের ৩৫ ঘণ্টা পর সোমবার রাত ১০টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ থাকা অধ্যক্ষ, ১৪ শিক্ষকসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারী মুক্তি পান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র তানভীর মাহমুদ ও ফাহাদ হোসেন।

তারা বলেন, একটি গোষ্ঠী আন্দোলন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। এই আন্দোলন সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এখানে কোনো ইন্ধনদাতার স্থান নেই। তাদের স্পষ্ট কথা সব শিক্ষার্থী পরিপূর্ণভাবে একতাবদ্ধ ও এক দাবিতে অনড়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলতে থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না করা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আন্দোলন চলাকালে মন্ত্রণালয় থেকে কোনো ধরনের আদেশ, প্রজ্ঞাপন বা রদবদল কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব হলে সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।

তারা বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে শিক্ষা উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি সাস্ট হিসেবে গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ কারণে শিক্ষার্থীরা আবার আন্দোলনে নামেন। এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। সেইসঙ্গে আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষকরাও কলেজের বাইরে যেতে পারবেন না জানান তারা।

সোমবার বিকালে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠক হয়। পরে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেইসঙ্গে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে কলেজকে মুক্ত করার উদ্যোগ এবং বিজ্ঞানাগার ও খেলার মাঠের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. আসাদুজ্জামানের বদলির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানান। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত দিতে না পারার কথা জানান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। পরে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্যাম্পাস ছাড়েন। এরপর শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

কলেজ প্রশাসন জানায়, ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্নাতক পর্যায়ের প্রকৌশল কলেজের তিনটি বিভাগে পাঁচটি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। আর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজটির একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন নিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকায় তাদের ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং’ ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন সত্ত্বেও মন্ত্রণালয় আশানুরূপ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বরং প্রশাসনিক কালক্ষেপণে তাদের একাডেমিক জীবন অনিশ্চয়তায় পড়ছে।

আন্দোলনের মধ্যে বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করেছে। এর মধ্যে নতুন অধ্যক্ষ সোমবার অনলাইনে যোগদানও করেছেন।

৩৫ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক

আন্দোলনের ৩৫ ঘণ্টা পর সোমবার রাত ১০টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ থাকা অধ্যক্ষ, ১৪ শিক্ষকসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারী মুক্তি পান। তবে ক্যাম্পাসের ফটকসহ সবখানে শিক্ষার্থীরা তালা ঝুলিয়ে রাখায় কেউ ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারছেন না।

রোববার বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারও ক্যাম্পাসের ফটকসহ বিভিন্ন একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলছে।

দুপুরের দিকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে তালা ঝুলিয়ে রাখায় কেউ ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারছেন না। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে ক্যাম্পাসের অচলাবস্থা এখনো কাটেনি।”

ডলারের অঙ্ক বাড়ে, শ্রমিকের হিসাব মেলে না

মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না

ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত

রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ