1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলা কিউআরে পেমেন্ট ব্যর্থ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা ফেরত পাবেন গ্রাহক কূটনীতির পথ খোলা, তবে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে যুদ্ধের জন্যও ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ আমরা: ইরান আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস চট্টগ্রাম থেকে মিয়ানমার হয়ে কুনমিংয়ের সঙ্গে সরাসরি সড়ক চায় বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে নামছে বাংলাদেশ অর্থবছরের দুই মাসে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ৬৯.৯ কোটি ডলার, ছাড় হয়েছে ২৯.৫ কোটি ডলার বাংলাদেশে অল্প বয়সে আকস্মিক মৃত্যুর প্রধান পাঁচ কারণ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া লক্ষ্মীপুরে ৫ ঘণ্টার সাঁড়াশি অভিযানে ২৪৪ কিশোর গ্যাং সদস্য আটক রোনালদোকে ছাড়াই হলান্ডের নরওয়েকে হারাল পর্তুগাল

বাংলা কিউআরে পেমেন্ট ব্যর্থ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা ফেরত পাবেন গ্রাহক

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View

বাংলা কিউআর পেমেন্ট নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই নিয়ম আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, লেনদেনের সময় যদি গ্রাহকের হিসাব (অ্যাকাউন্ট) থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয় কিন্তু লেনদেন ব্যর্থ হওয়ায় মার্চেন্ট বা বিক্রেতা টাকা না পান, তবে ইস্যুয়িং ব্যাংক বা এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে বা সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে ওই টাকা গ্রাহকের হিসাবে ফেরত দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহককে কোনো অভিযোগ দায়ের করতে হবে না।

ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান বলতে বোঝায় যে ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে গ্রাহক টাকা পরিশোধ করেন। অন্যদিকে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান বলতে বোঝায় যে ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মার্চেন্ট বা বিক্রেতা পেমেন্ট গ্রহণ করেন। অর্থাৎ, যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়।

যেসব বিরোধ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে না, সেসব ক্ষেত্রে গ্রাহক লেনদেনের ৪৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে পারবেন। ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে সেই দাবি গ্রহণ বা বাতিল করতে হবে। তারা ব্যর্থ হলে বিষয়টি ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) সেন্ট্রালাইজড ডিসপুট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (ডিএমএস) মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ‘চার্জব্যাক’ প্রক্রিয়ায় চলে যাবে।

অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে চার্জব্যাকের জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হবে। এরপরও যদি বিরোধের নিষ্পত্তি না হয়, তবে বিষয়টি আরবিট্রেশন বা সালিশের মাধ্যমে সমাধান করা হবে, যা অবশ্যই ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।

পণ্য না পাওয়া, ডাবল পেমেন্ট, ভুল বিলিং এবং গ্রাহকের হিসাব থেকে টাকা কাটা গেলেও মার্চেন্ট টাকা না পাওয়ার মতো সমস্যাগুলোর জন্য নীতিমালায় আটটি নির্দিষ্ট ‘চার্জব্যাক রিজন কোড’ চালু করা হয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া অভিন্ন করতেই এই কোডগুলো আনা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন ‘ট্রানজেকশন স্ট্যাটাস ইনকোয়ারি’ ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেনের ব্যাপারে নিশ্চিত না হওয়া গেলে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানের কাছে পেমেন্টের অবস্থা যাচাই করতে পারবে। এতে গ্রাহকদের ম্যানুয়ালি অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজনীয়তা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতাদের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে বাংলা কিউআর লেনদেনের বিপরীতে নগদ প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য মার্চেন্টের আওতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগে শুধু তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতারা এই সুবিধা পেলেও, এখন থেকে ট্রেড লাইসেন্সধারী যেসব মার্চেন্ট এনপিএসবি চ্যানেলে বাংলা কিউআর ব্যবহার করেন, তারাও এই প্রণোদনা পাবেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলা কিউআরে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের ক্ষেত্রে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেন মূল্যের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে মাসিক নগদ প্রণোদনা পাবে। মূল প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ