ক্রিকেট অনুরাগীদের প্রশ্ন, কোচ সারোয়ার ইমরান ও ওমেন উইং চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবুর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ির শেষ কোথায়? আসলে কী হতে যাচ্ছে? আগামী ৩০ অক্টোবর এমনিতেই বিসিবির সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে কোচ সারোয়ার ইমরানের।
বিসিবি তথা ওমেন উইং কি সে মেয়াদ বাড়াবে? নারী দলের হেড কোচ নিয়ে বিসিবি ওমেন উইংয়ের চিন্তাভাবনা আসলে কী? তারা কি সারোয়ার ইমরানের ওপরই আস্থা রাখবেন? নাকি নতুন কোচের কথা ভাববেন?
ভেতরের খবর, খুব শিগগিরই সারোয়ার ইমরান অধ্যায় শেষ হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট কোচ সারোয়ার ইমরান সম্ভবত আর নারী দলের প্রধান কোচ থাকছেন না।
ভেতরে ভেতরে বিসিবি ওমেন উইং নাকি ডেভিড হ্যাম্পের সাথে কথাবার্তা চূড়ান্ত করে ফেলেছে। এবং তাকেই নারী দলের হেড কোচ করার সবকিছু চূড়ান্ত।
ডেভিড হ্যাম্পই কি সত্যিই নারী দলের নতুন কোচ হতে যাচ্ছেন? জাগো নিউজের সাথে আলাপে বিসিবি পরিচালক ও ওমেন উইং প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবুর কৌশলী জবাব, ‘আমি এখন পর্যন্ত তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেইনি। কাউকে বলিনি হ্যাম্পই হবে পরবর্তী কোচ।’
তবে তার কথায় মিলেছে পরিষ্কার ইঙ্গিত। অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে, হ্যাম্পই নতুন কোচ। যদি তাই হয়, তাহলে বর্তমান হেড কোচ সারোয়ার ইমরানের কী হবে? তাকে কি বরখাস্ত করা হবে?
ভুলে গেলে চলবে না, সারোয়ার ইমরান শুধুই জ্যোতি, দিলারা, জোয়াইরা, সোবহানা, মারুফাদের কোচ না; তিনি বাংলাদেশের পুরুষ দলের প্রথম টেস্ট কোচ। দেশের ক্রিকেটের ক্রান্তিলগ্নে তিনি অন্তত দুইবার জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে টাইগারদের নজিরবিহীন ব্যর্থতার পর সারোয়ার ইমরানের কাঁধেই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য জাতীয় দল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সাফল্যের সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশকে তলানিতে থেকে আবার আলোর পথ দেখান। তাই নারী দলের ব্যর্থতার জন্য তাকেই দায়ী করে বরখাস্ত করতে গিয়েও ভাবতে হচ্ছে বিসিবিকে।