1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি দিলেন ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বড় সহায়তা চায় বাংলাদেশ একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন বাংলাদেশের যে ক্রিকেটার মিছিলে স্লোগান দিতে দিতেই প্রাণ গেল যুবদল নেতার খুলনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় আরও ২ জন গ্রেপ্তার ২ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে সৌদি আরব: বিদেশ সফরে জামায়াতের অর্ধেক এমপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক দূতের বৈঠক

একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন বাংলাদেশের যে ক্রিকেটার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ Time View

ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়জুড়েই শুধু ক্রিকেট আর ক্রিকেট। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফাহিম মুনতাসির নামটা পরিচিত না হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিষেক টেস্টের সময়টা সবারই জানান। ২০০০ সালে সেই টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। খ্যাতি ছিল অফ স্পিনার হিসেবে। এবার এই প্রজন্মের কাছেও সহজ হয়ে গেল ফাহিম মুনতাসিরের পরিচয়। তিনি অধিক পরিচিত ছিলেন সুমিত নামে।

তবে তাকে নিয়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- জন্ম থেকেই তিনি একটি কিডনি নিয়েই এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। ক্রিকেটের মতো শারীরিক কসরতের খেলায় একটি কিডনির অভাব তিনি কখনো বুঝতেই পারেননি। এর চেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরে যাওয়ার ২১ বছর পর জানতে পারেন যে তার একটি কিডনি নেই।

১৯৯৮ সালের অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ যুব দলের সদস্য ছিলেন, পরের বছর পেয়েছিলেন যুব দলের নেতৃত্বও। জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন সমান তিনটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের স্কোয়াডে থাকলেও ছিলেন না একাদশে। অভিষেক হয় ২০০২ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে। তবে ওয়ানডে অভিষেকটা তার দুই মাস আগে। ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আর সে বছরের জুলাইতে কলম্বোতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি।

এই খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি কখনোই কোনো সমস্যা অনুভব করেননি যে, তার শরীরে একটি কিডনির ঘাটতি রয়েছে। একেবারেই স্বচ্ছন্দে খেলে গেছে ঘরোয়া লিগ থেকে জাতীয় দলের সব কয়েকটি ম্যাচ।

ফাহিম নিজের এই ঘাটতির কথা প্রথম জানতে পারেন ২০২৩ সালে। সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমে তাকে নিয়ে এক প্রতিবেদনে এমনটা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। সে বছর ভারতের দিল্লিতে গিয়েছিলেন ফাহিম। তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও শারীরিক পরীক্ষার কাজেই মূলত গিয়েছিলেন। তখনই পেটের আলট্রা সাউন্ড পরীক্ষা করে ডাক্তার বুঝতে পারেন ফাহিমের একটি কিডনি নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ