দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন ও গবেষণায় সরকার বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
আজ রোববার রাজধানীর নভোথিয়েটারের প্লেনারি হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর ‘হেলথ ইনোভেশন ফর অল: এক্সপান্ডিং অ্যাকসেস টু অ্যাফোর্ডেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ কেয়ার’ শীর্ষক প্লেনারি আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এ মেলার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে আর বিজনেস অ্যাজ ইউজুয়াল ধারায় রাখার সুযোগ নেই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য মানসম্মত, সাশ্রয়ী ও সমতাভিত্তিক সেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যখাতকে প্রযুক্তিবান্ধব ও আধুনিক রূপ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দেশের ২০ কোটি নাগরিকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি জাতীয় ডিজিটাল হেলথ সিস্টেম, হেলথ কার্ড এবং সুনির্দিষ্ট রেফারেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠলে দেশের সব নাগরিকের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।
হাসপাতালের দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি নিরসনে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে ড. মুহিত বলেন, সকাল ৮টায় গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে শত শত অসুস্থ মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। এই ভোগান্তি দূর করতে হাসপাতালগুলোতে অ্যাপভিত্তিক নির্দিষ্ট সময়ের স্লটে সিরিয়াল নেওয়ার পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন। তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও উদ্ভাবকদের তৈরি আধুনিক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই সংকটের দ্রুত সমাধান সম্ভব।