1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

যে দেশে আলু ও পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : শ্রীলংকার বাজারে বাংলাদেশি আলু রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাই করতে শিগগিরই দেশটিতে বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠাবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পেঁয়াজ রপ্তানির সুযোগও খতিয়ে দেখা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন বাজার তৈরির পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।

হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে আজ বৃহস্পতিবার এক সাইড ইভেন্টে বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে শ্রীলংকার বাণিজ্য, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, খাদ্য নিরাপত্তা ও সমবায় উন্নয়নমন্ত্রী ওয়াসান্থা সামারাসিংহের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের উৎপাদন সক্ষমতা, শ্রীলংকার বাজারে আলুর মূল্য পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দেশে স্থানীয় চাহিদা পূরণের পরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আলু ও পেঁয়াজ উদ্বৃত্ত থাকে। এসব পণ্যের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের খুচরা বাজারে নতুন আলু কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম উৎপাদনমূল্য ও প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে শ্রীলংকার বাজারে বাংলাদেশি আলুর সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠকে শ্রীলংকার মন্ত্রী ওয়াসান্থা সামারাসিংহে বাংলাদেশ থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য জোরদার হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

শ্রীলংকার বাজারে আলুর চাহিদা, দাম ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা যাচাই করতে পটেটো অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বাংলাদেশ থেকে একটি বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। প্রতিনিধি দলটি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফুড প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করবে।

বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী দেশের বেসরকারি খাতকে শ্রীলংকার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান তৈরির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে বছরজুড়ে মানসম্মত পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক দাম নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে শ্রীলংকায় গুদামজাতকরণ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরির সম্ভাবনাও যাচাই করা হবে।

দুই পক্ষের আশা, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি হবে। একই সঙ্গে কৃষকেরা উৎপাদিত আলুর ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং শ্রীলংকার ভোক্তারাও তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে আলু কেনার সুযোগ পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ