1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে থাকা বাংলাদেশিদের সঙ্গে দূতাবাসের সাক্ষাৎ চীনের নতুন আইনের প্রতিবাদে ভারতে তিব্বতি শরণার্থী আটক অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করলো ব্যাংক এশিয়া ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪৫৮ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২৮ লাখ টাকার জালনোট এশিয়ার খাদ্য ব্যবস্থা, নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি সংকট সমাধানে তাগিদ এডিবির নিয়ম ভেঙে ১ মাদ্রাসার ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী তুললেন দেড় কোটি টাকা শাকিবের অনুরোধ রাখলেন ববিতা, তবে দিলেন শর্ত রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় একদিনে নিহত ২৬ টানা পঞ্চমবার পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ আজ বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মোহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নোমানী

নিয়ম ভেঙে ১ মাদ্রাসার ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী তুললেন দেড় কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ Time View

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ইকামাতেদ্বীন মডেল কামিল মাদ্রাসার ১৯ জন প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে প্রায় দেড় কোটি টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উত্তোলিত মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ টাকা এক মাসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। 

আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইনের বিধান অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদপ্তর জানায়, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও পুনর্বিবেচনা, গ্রেড পরিবর্তন, বাতিল ও স্থগিত-সংক্রান্ত পুনর্বিবেচনা কমিটির গত ১৬ জুনের সভার সিদ্ধান্তের আলোকে গত ১৬ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির জুলাই মাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ইকামাতেদ্বীন মডেল কামিল মাদ্রাসার (আলিম স্তর পর্যন্ত এমপিওভুক্ত) ফাজিল ও কামিল স্তরের ১৯ জন প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক-কর্মচারীর ইনডেক্স কর্তনের পাশাপাশি তাদের নামে বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অধিদপ্তরের জারি করা পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীদের নির্ধারিত অঙ্কের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে, ট্রেজারি চালানের মূল কপি অথবা সত্যায়িত অনুলিপি দ্রুত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রভাষক (আরবি) মো. আল আমিন ৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা, প্রভাষক (আরবি) মো. রাশেদুল ইসলাম ১০ লাখ ৬০ হাজার ৩০২ টাকা, প্রভাষক (বাংলা) মো. কুদরাতুর রহমান ১৮ লাখ ১ হাজার ১০২ টাকা, প্রভাষক (ইংরেজি) ফকরুল ইসলাম ১৮ লাখ ১ হাজার ১০২ টাকা, প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) মো. ফারুক হোসেন ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪১ টাকা, প্রভাষক (গ্রন্থাগারিক) মো. সরোয়ার হোসেন ৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা, সহকারী গ্রন্থাগারিক মহিউদ্দিন ৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৫ টাকা, সহকারী মৌলভী মো. নূরনবী ৬ লাখ ২৭ হাজার ৭০২ টাকা, জুনিয়র শিক্ষক নাছরিন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৩ টাকা, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর কাজী আল মাসুদ ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৩ টাকা, ল্যাব সহকারী (পদার্থ) মো. রেজাউল মিয়া ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৯১ টাকা, ল্যাব সহকারী (জীববিজ্ঞান) সাম্মি আক্তার ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৯১ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. মাসুম বিল্লাহ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম ৩ লাখ ২৮ হাজার ২১৫ টাকা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. নাজমুল ইসলাম ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪০৭ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হামীব গাজী ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা এবং প্রভাষক (ফকিহ) জাহিদ হোসেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করেছেন।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়ের করা হবে।

এদিকে, এ সিদ্ধান্তের অনুলিপি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ