1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে দেশব্যাপী ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব ডা. জুবাইদার নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব: অ্যাটর্নি জেনারেল ফ্যাসিবাদকে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নারীর কর্মসংস্থান ও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পর্যটন খাতের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে সরকার: প্রতিম স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ যারা ৭১ ভুলে যেতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আমিরাতের ভিসা-ভুক্তভোগীদের জন্য হটলাইন চালু হচ্ছে : প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী যতই অবরোধ হোক অটোপাসের সুযোগ নেই : হুইপ দুলু

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে দেশব্যাপী ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব ডা. জুবাইদার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ Time View

দেশে থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য দেশব্যাপী ডেটাবেজ (রেজিস্ট্রি) তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশজুড়ে থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত এবং বিরল রোগে আক্রান্ত মানুষদের একটি ডেটাবেজ প্রস্তুত করার পথে এগিয়ে যাওয়া এবং একটি রেজিস্টার মেইনটেইন করা প্রয়োজন। থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধাদের শতভাগ সুস্থ করতে না পারলেও তাদের ও পরিবারকে সান্ত্বনা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে আশ্বাসের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

সচেতনতা সৃষ্টির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বাকালীন সময়েও স্ক্রিনিং করে এটি শনাক্ত করা যায়। যেকোনো বয়সেই স্ক্রিনিং টেস্টের মাধ্যমে রোগটি ধরা পড়ে। দেশবাসীকে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি ও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে চালানো যায়।
এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সময় তাদেরকে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান দেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এর উপসর্গ, চিকিৎসা ও রোগীকে আশ্বস্ত করার পদ্ধতি সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।

শনাক্ত হওয়া রোগীদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করার পরামর্শ দিয়ে জুবাইদা রহমান বলেন, শনাক্তকরণের পর ধাপে ধাপে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করা যায়— থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর এবং থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট। চিকিৎসকরা যতদূর সম্ভব সতর্কতা ও সংবেদনশীলতার সাথে চিকিৎসা দিলে রোগী ও তার পরিবার অনেকাংশে চিন্তামুক্ত ও আশ্বস্ত হবেন।

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের তাদের এই অসামান্য মানবিক কাজের জন্য জানাই অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। আমি আজ বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই আমার কন্যা জাইমা রহমানকে, যিনি একজন স্বেচ্ছায় রক্তদাতা। এযাবৎ তিনি সাতবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। এছাড়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ