1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

দেশে দেশে কঠোর ভিসানীতি, বিদেশে পড়ার স্বপ্নে নতুন বাধা শিক্ষার্থীদের

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২ Time View

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য বদলে যাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কয়েকটি শিক্ষাগন্তব্যের অভিবাসন ও ভিসা ব্যবস্থা। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই তিন দেশেই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অভিবাসন ব্যবস্থায় নতুন বিধিনিষেধ আনা হচ্ছে। ফলে বিদেশে পড়াশোনার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের এখন শুধু বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স বেছে নিলেই হচ্ছে না, ভিসার শর্ত, অর্থের জোগান, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি থাকার নিয়মও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের পরিবারের ওপর বিধিনিষেধ

অস্ট্রেলিয়া অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন নীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সরকারের লক্ষ্য, নেট ওভারসিজ মাইগ্রেশন চলতি অর্থবছরে ২ লাখ ৪৫ হাজার এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মার্চ পর্যন্ত এক বছরে এই সংখ্যা কমে ২ লাখ ৯২ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। তবে এরই মধ্যে যারা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশটিতে রয়েছেন, তাদের পরিবার ভেঙে দেওয়ার মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও আসিয়ানভুক্ত কিছু দেশের শিক্ষার্থী এবং পিএইচডির মতো নির্দিষ্ট কোর্সে থাকা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া এক ভিসা থেকে অন্য ভিসায় যাওয়ার প্রবণতা বা ‘ভিসা হপিং’ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনাও রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতে এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রেও শিক্ষার্থী ভিসায় কড়াকড়ি

যুক্তরাষ্ট্রেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, এফ-১ ও জে-১ ভিসাধারীদের আগের মতো অনির্দিষ্ট ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’-এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য থাকার অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এফ-১ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বোচ্চ চার বছরের সময়সীমা প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্স শেষ করতে না পারলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ