1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির প্রতিপক্ষ চেলসি ইরান যুদ্ধের সময় আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ পাঠায় ইসরায়েল ঢাকায় আজ ঝরতে পারে বজ্রবৃষ্টি, কমবে তাপমাত্রা অভিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলার ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ ও উলশী খাল তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: সালেহ শিবলী রাজধানীতে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ; আটক ৩ সএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে : উপদেষ্টা মাহদী আমিন ওয়াশিংটনে নৈশভোজে গুলি: হামলাকারীকে আটকের দাবি ট্রাম্পের কলম্বিয়ায় মহাসড়কে বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১৪

ইরান যুদ্ধের সময় আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ পাঠায় ইসরায়েল

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ Time View

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের শুরুতেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে অত্যাধুনিক ‘আয়রন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং তা পরিচালনার জন্য সেনা পাঠিয়েছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুইজন ইসরায়েলি ও একজন মার্কিন কর্মকর্তা।

যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ও আমিরাতের মধ্যে সামরিক, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই প্রথমবারের মতো যুদ্ধ চলার সময় অন্য কোনো দেশে ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েনের ঘটনা ঘটল, যা আগে প্রকাশ্যে আসেনি।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরান প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টির বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এর বেশির ভাগই প্রতিহত করা হলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

বড় ধরনের এসব হামলার পর মিত্র দেশগুলোর সহায়তা চায় আমিরাত।
এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ- এর সঙ্গে ফোনালাপের পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে ‘আয়রন ডোম’ পাঠানোর নির্দেশ দেন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এই প্রথমবারের মতো দেশটি অন্য কোনো দেশে ‘আয়রন ডোম’ পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাইরে আমিরাতই প্রথম দেশ, যেখানে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আরেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও আমিরাত ঘনিষ্ঠভাবে সামরিক ও রাজনৈতিক সমন্বয় বজায় রাখছে। একই সঙ্গে, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী দক্ষিণ ইরানে অবস্থান নেওয়া স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে একাধিক হামলা চালিয়েছে, যেন সেগুলো আমিরাত বা উপসাগরীয় দেশগুলোতে আঘাত হানতে না পারে।

তবে আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি সেনা মোতায়েন রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও আমিরাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি দেশটির জনগণের মনোভাব পরিবর্তন করেছে। তাদের মতে, যারা দেশকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে, তাদের ইতিবাচকভাবেই দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, নিজ দেশেও তীব্র হামলার মুখে থাকা অবস্থায় অন্য দেশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে সমালোচনা হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এরপর গাজাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিরোধ থাকলেও বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক কর্মকর্তা তারেক আল-ওতাইবা এক নিবন্ধে বলেন, ইসরায়েল ছিল সেই দেশগুলোর একটি যারা বাস্তব সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে।

আমিরাতের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘এই সহায়তা আমরা কখনো ভুলব না। তিনি আরো জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশও আমিরাতকে আত্মরক্ষায় সহায়তা করেছে।’ তার ভাষায়, ‘এটি ছিল চোখ খুলে দেওয়ার মতো একটি মুহূর্ত— কারা আমাদের প্রকৃত বন্ধু, তা বোঝার জন্য।’

সূত্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ