1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সবচেয়ে বড় রণতরীকে ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিপদগ্রস্ত ইরানি নাবিকদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসিত শ্রীলঙ্কা নদীভাঙন প্রকল্প দেখতে কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী অস্ত্রের উৎপাদন ৪ গুণ বাড়াতে সম্মত মার্কিন প্রতিরক্ষা নির্মাতারা: ট্রাম্প ইরানের হামলার পর নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক জানাল সৌদি আরব ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে মাটির নিচে বন্দিদশায় ইসরায়েলিদের দিন ইরাকের বাগদাদে সামরিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা মিথ্যা বলা মহাপাপ, মিথ্যা বলো না: মির্জা আব্বাস মেট্রোরেলে সিট দখল ঠেকাতে নতুন নিয়ম

জাতিকে জয় উপহার দিতে চান মুশফিক

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ৭৮ Time View

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ইতিবাচক একটা মানসিকতা গড়ে উঠেছে। আগে থেকে পরাজয় নিয়ে ভাবে না। খেলায় জেতার জন্য পরিকল্পনা করে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের লক্ষ্য সম্পর্কে বলছিলেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি জয়ের স্বপ্নও দেখছেন তিনি।

প্রশ্ন: উইকেট না প্রতিপক্ষ পেস বোলারদের কথা মাথায় রেখে নেটে পেস বোলার নিয়ে ব্যাটিং সেশন করেছেন?

মুশফিক: দুটোর জন্যই। এখানে আমাদের ট্যাকটিস অন্যরকম থাকবে। পেসবোলারদের উইকেট হলেও আমার মনে হয় লাইন-লেন্থ ঠিক রেখে ভালো জায়গায় বল করতে পারলে স্পিনাররাও সুবিধা পাবে। কারণ এখানে মাঠগুলো খুব বড়। আর তারা পেস বলে অনেক বেশি ভালো খেলে। আমাদের স্পিনাররা ভালো করতে পারলে তাদের আটকে রাখা যাবে। যেহেতু তাদের পেসবোলার বেশি, ড্যানিয়েল ভেট্টরি এবং নাথান ম্যাককালাম ছাড়া ওই রকম স্পিনার নেই। আমাদের পরিকল্পনা ছিলো সেই জিনিসগুলো বেশি করে করবো যেগুলো মাঠে গিয়ে করতে হবে।

প্রশ্ন: সুপার এইটে খেলার জন্য আপনারা কতটা তৈরি?

মুশফিক: অবশ্যই টার্গেট আছে পরের রাউন্ডের খেলার। সেটা অনেক পরে আসবে। তার আগে ওটার জন্য যা যা করা দরকার আমরা সব কিছুই মোটামুটি করছি। মোটামুটি ভালোই হয়েছে। কালকের ম্যাচ জেতার জন্য যা যা করা দরকার সব কিছুই করবো। তারপরেও যেটা হবে সেটা তো আমাদের মেনে নিতেই হবে। আমার মনে হয় আমরা অনেক আত্মবিশ্বাসী। আমাদের যে স্কিল আছে তা শতভাগ দিতে পারলে ইনশাল্লাহ কালকে (শুক্রবার) আমরা জিততে পারবো।

প্রশ্ন: আপনি এবং কোচসহ প্রায় সবাই পিচ দেখছিলেন, পিচটা কেমন?

মুশফিক: খেয়াল করে দেখেন পাঁচ ছয় মাসে শ্রীলঙ্কার উইকেটগুলোতে কিন্তু পরিবর্তন এসেছে। আগে যেরকম ‘ট্রিপিকাল’ স্লো লো ছিলো, সেরকম কিন্তু নেই। বাউন্সি এবং পেস বোলাররা যাতে সুবিধা পায় সেরকম একটা উইকেট হয়। সবাইকে একটা বার্তা দেওয়ার জন্য আগে থেকে পিচ দেখে নেওয়া। একটি মিটিং হয়েছে এবং সেখানে পিচ সম্পর্কে একটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয়ে পেস বলের উইকেটেও খেলে মজা পাওয়া যায়। কারণ এখানে সাইড শটগুলো বেশ ভালো খেলা যায়। আমরা যদি ভালো খেলতে পারি এবং স্কিল প্রয়োগ করতে পারি, তাহলে আমার মনে হয় ভালো একটা ম্যাচ হবে।

প্রশ্ন: কালকের ম্যাচের জন্য দল গুছিয়ে নিয়েছেন?

মুশফিক: আজকে উইকেটে আরেকবার ব্রাশ করবে। ম্যাচে যাওয়ার আগে আরেকবার দেখবো। তখন হয়তো একদুইজন এদিক ওদিক হতে পারে।

প্রশ্ন: ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে আপনারা ৪-০ তে ধবলধোলাই দিয়েছেন, সেটা কি খেলায় ইতিবাক হিসেবে কাজ করবে?

মুশফিক: সে প্রেক্ষাপট যদি বিবেচনা করেন তাহলে নিউজিল্যান্ড তো ইন্ডিয়াকে কয়কেদিন আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়ে এসেছে। আমার মনে হয় ওটা অনেক দূরের ব্যাপার। কারণ ওটা প্রায় দুই বছর আগে হয়েছে। তাছাড়া এখানে টি-টোয়েন্টি খেলা। আমাদের ওই দলে যারা ছিলো তাদের অনেকেই আছে। একদুইজন হয়তো নাই। তাদের বর্তমান দলেও অনেকেই ছিলো না, নতুন এসেছে। সাবাই আমাদের ওপর যেমন বিশ্বাস রেখেছে আমরা সুপার এইটে খেলতে পারবো। আমাদেরও বিশ্বাস আছে আমরা যদি আমাদের পরিকল্পনা কেন্দ্রে কাজে লাগাতে পারি তাহলে শতভাগ নিশ্চিত আমরাও জিততে পারবো।

প্রশ্ন: কালকের (শুক্রবার) ম্যাচে কে ফেভারিট?

মুশফিক: একটা জিনিস, টি-টোয়েন্টিতে তারা আমাদের চেয়ে অনেক ভালো। বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত সম্প্রতি তারা একটা ভালো সিরিজ খেলে এসেছে। তাদের আত্মবিশ্বাস অন্যরকম আছে। খেলা অবশ্যই ব্যাটে বলে হবে কিন্তু আমরা যদি আমাদের শতভাগ দিতে পারি এবং ভাগ্য আমাদের পক্ষে থাকে তাহলে আশা করি তাদের হারাতে পারবো।

প্রশ্ন: ২০০৯ সালের দলের চেয়ে এই দলটি কি ভালো?

মুশফিক: অবশ্যই ওই সময়ের চেয়ে এই দলটি অনেক ভালো। ওই সময় যেরকম ম্যাচ উইনার ছিলো এখন আরও ম্যাচ উইনার আমাদের দলে বেশি আছে। অবদানও বেশি আছে। সে দিক থেকে আমাদের বর্তমান দলটি অনেক ভালো।

প্রশ্ন: এশিয়া কাপের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

মুশফিক: অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক বড় একটা সুযোগও। এশিয়া কাপের মতো বড় একটা টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলেছি। আমাদের ১৬ কোটি মানুষ তাকিয়ে আছেন এবং আরও অনেক মানুষ তাকিয়ে আছেন। ইনশাল্লহ, আশা করছি আমরা তাদের একটা কিছু দিতে পারবো। আমরা যেন আরেকটা ভালো রেজাল্ট করতে পারি এবং তারা যেন আমাদেরকে নিয়ে গর্ব করতে পারে।

প্রশ্ন: আপনি এসএলপিএলে খেলেছেন, এখানে কত রান মোকাবেলা করা সম্ভব?

মুশফিক: এখানে আমরা খুব একটা খেলিনি। খেললেও দিবারাত্রির ম্যাচ অত বেশি হয়নি। সাধারণত দেখা যায় দিবারাত্রির খেলায় যারা আগে ব্যাটিং করে তারা বেশিরভাগ সময় জেতে। রাতে বলগুলো অনেক বেশি ঘুরে। ১৬০-১৬৫ রান করলে মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে যায়। একই ভাবে আমরা যদি আগে ফিল্ডিংও করি এবং অল্পতে আটকে রাখতে পারি তাহলে ‘চেজ’ করতে পারবো। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ওই দিনের ওপর নির্ভর করে।

প্রশ্ন: গতকাল (মঙ্গলবার) পাইবাস বলেছেন ম্যাককালাম এবং রস টেলরের টি-টোয়েন্টি স্টাইকরেট খুব ভালো, তাদের জন্য আলাদা কোন পরিকল্পনা আছে?

মুশফিক: পরিকল্পানা তো অবশ্যই আছে। তারা দুজন খুব গুরুত্বপূর্ণ, টপ অর্ডারে খেলেন। জিততে হলে টপঅর্ডারে স্টাইক করতে হবে। তাদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনাও আছে আমাদের। ওটা যদি কাজে লাগাতে পারি এবং শুরুতে দুই থেকে তিনটি উইকেট নিতে পারি, তাহলে যেকোন কিছু করা সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ