1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় হচ্ছে সমন্বিত নীতিমালা গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি হতেন : হামিদুর আযাদ সরকারি বেতন ১০০% বাড়ানোর সুপারিশ, দুই বছরে বাস্তবায়নের প্রস্তাব বিটিআরসির নতুন ডিজি হলেন মনিরুজ্জামান তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা : অতুল কেশপ ‘অনেক কিছুই আমার কাছে আছে, সময়মতো প্রকাশ্যে আনব’ মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ১৬ আগস্ট ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ শুরু, ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণপদক ঈদে মিলাদুন্নবী কবে, জানা যাবে আজ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রধানের সাক্ষাৎ

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে ২৪ দেশের সেনা কর্মকর্তা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫১ Time View

কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন ২৪ দেশের সামরিক বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের একটি তারকামানের হোটেলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ৪৬ তম ইন্দো-প্যাসিফিক আর্মিজ ম্যানেজমেন্ট সেমিনারে গোল টেবিল বৈঠক শেষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যায় সেনা কর্মকর্তাদের টিম।

সেমিনারটির প্রতিপাদ্য ছিল- “ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়াতে সামরিক কূটনীতি”।

ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন সেনা কর্মকর্তারা। রোহিঙ্গারা সেনা কর্মকর্তাদের কাছে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের অত্যাচার-নিপীড়নের বর্ণনার পাশাপাশি নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সেখানে উপস্থিত ১১নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ ওসমান বলেন, আমরা তৃতীয় কোনো দেশ নয়, আমাদের দেশেই ফিরতে চাই। সেনা কর্মকর্তাদের আমরা জানিয়েছি আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আমাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি করা হোক।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ এবং যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান জেনারেল চার্লস এ ফ্লিনসহ অংশগ্রহণকারী দেশ সমূহের উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ অংশ নেন।

এনিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো এ সেমিনারের সহ-আয়োজক। এর আগে ১৯৯৩ এবং ২০১৪ সালে এই সম্মেলনের সহ-আয়োজক ছিলো বাংলাদেশ।

সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য ছিল- পারস্পারিক বোঝাপড়া, সংলাপ ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আরও বৃদ্ধি করা।

এছাড়াও সেমিনারে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য সদস্যগণ বলিষ্ঠ শান্তিরক্ষা মিশন ও এর করণীয় শীর্ষক ব্রেক আউট সেশন এবং জুনিয়র নেতৃবৃন্দ পেশাদারিত্বের উপর পৃথক পৃথক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

সবশেষে ২৪ দেশের সামরিক কর্মকর্তারা উখিয়ার কুতুপালং এ বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের ক্যাম্প এলাকা পরিদর্শন ও মতবিনিময় করে। এ সময় রোহিঙ্গারা প্রতিনিধি দলকে সমস্যা ও সুপারিশসমূহ তুলে ধরেন। প্রতিনিধি দল মিয়ানমার নাগরিকদের ক্যাম্পের বাস্তব চিত্র ঘুরে ঘুরে দেখেন।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারী দলকে ক্যাম্পে কর্মরত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার ব্রিফিং করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ