1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় হচ্ছে সমন্বিত নীতিমালা গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি হতেন : হামিদুর আযাদ সরকারি বেতন ১০০% বাড়ানোর সুপারিশ, দুই বছরে বাস্তবায়নের প্রস্তাব বিটিআরসির নতুন ডিজি হলেন মনিরুজ্জামান তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা : অতুল কেশপ ‘অনেক কিছুই আমার কাছে আছে, সময়মতো প্রকাশ্যে আনব’ মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ১৬ আগস্ট ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ শুরু, ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণপদক ঈদে মিলাদুন্নবী কবে, জানা যাবে আজ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রধানের সাক্ষাৎ

সারের ভর্তুকি নিয়ে সরকার উভয় সংকটে : কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৪৫ Time View

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক হারে সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে। ফলে এবার ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে সরকারের।

এবছর ভর্তুকি খাতে বাজেটে আছে ৯ হাজার কোটি টাকা। আরও প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন। এজন্য সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি নিয়ে সরকার উভয় সংকটে রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সারে মজুত, দাম, ভর্তুকিসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্য বিগত বছরের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বাড়লেও বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে কৃষক পর্যায়ে সারের দাম বাড়েনি। অব্যাহতভাবে ভর্তুকি দিয়ে সুলভ মূল্যে সার সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনের ধারা বজায় রেখেছে।

তিনি বলেন, এবছর সরকারকে বাজেটের ৯ হাজার ৫শ কোটি টাকার স্থলে ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ইতোমধ্যে সরকার ১৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। গত ২০২০- ২১ অর্থ বছরে ভর্তুকিতে লেগেছিল ৭ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। এত বিশাল অংকের ভর্তুকি কোথা থেকে আসবে এ বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

এদিকে এত ভর্তুকি দিলে অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে, অন্যদিকে সারের দাম বাড়লে কৃষকের কষ্ট বাড়বে৷ উৎপাদন খরচ বাড়বে, খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং খাদ্যপণ্যের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সারের মূল্য অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। তাছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জাহাজ ভাড়াও প্রায় দুই গুণ বেড়েছে। সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় উভয় সংকটে সরকার৷ তবে, বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশের খাদ্য উৎপাদনের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন ভর্তুকি দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ইউরিয়া ৮২ টাকা, টিএসপি ৫০ টাকা, এমওপি সার ৪১ টাকা এবং ডিএপিতে ৭৯ টাকা। ২০০৯ সাল থেকে ২০২১- ২২ অর্থবছর পর্যন্ত সার, সেচসহ কৃষি উপকরণে মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। ২০০৫-০৬ অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমানে প্রায় ২৭ গুণ বেশি ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। ফলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ