1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাজ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৪২ Time View

করোনা মহামারির তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পুরো যুক্তরাজ্য। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে।

দেশটিতে এদিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩২৫ জনের, যা এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগের দিন (বৃহস্পতিবার) মৃতের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৬২ জন এবং বুধবার ছিল ১ হাজার ৪১ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৭৯ হাজার ৮৩৩ জন।

এদিকে শুক্রবার সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুর পাশাপাশি একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তও শনাক্ত হয়েছে। এদিন যুক্তরাজ্যে ৬৮ হাজার ৫৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। যা বৃহস্পতিবার ছিল ৫২ হাজার ৮১৮ জন এবং বুধবার ছিল ৬২ হাজার ৩২২জন। এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭২জনে।

দেশটিতে করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক নতুন ধরনের সংক্রমণ ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোয় রোগী উপচে পড়ার ঝুঁকির মুখে লন্ডনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার লন্ডনের মেয়র সাদিক খান ‘গুরুতর পরিস্থিতি’ (মেজর ইনসিডেন্ট) ঘোষণা করেন। যা জরুরি অবস্থা জারির শামিল। এই সময়ে তিনি জনগণকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান।

সাদিক খান বলেন, ভাইরাসের বিস্তার ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যাওয়ায় লন্ডনের হাসপাতালগুলোর শয্যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। আমরা গুরুতর পরিস্থিতির ঘোষণা দিচ্ছি। কারণ, আমাদের শহরে হুমকি হয়ে ওঠা করোনাভাইরাসের প্রকোপ সংকটময় মুহূর্তে পৌঁছে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের কোনো হামলা বা ভয়াবহ দুর্ঘটনা এবং বিশেষত যেসব ঘটনায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি, জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়া, মানবজীবন, মানবকল্যাণ, অপরিহার্য সেবা, পরিবেশ কিংবা জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে সেসব ক্ষেত্রেই সচরাচর মেজর ইনসিডেন্ট ঘোষণা করা হয়।’

লন্ডনে এর আগে সর্বশেষ ২০১৭ সালে সুউচ্চ গ্রেনফেল টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের সময় এমন গুরুতর পরিস্থিতির ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

এবার করোনাভাইরাসের তাণ্ডবও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সাদিক খান জানান, লন্ডনের কিছু কিছু জায়গায় প্রতি ২০ জনে একজনের শরীরে ভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসেও বেড়ে গেছে চাপ। দিনেই আসছে ৯ হাজার কল।

যুক্তরাজ্য এরই মধ্যেই ফাইজার/বায়োএনটেক এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা অনুমোদন করেছে। শুরু হয়েছে টিকাদান কর্মসূচি। তৃতীয় টিকা হিসেবে দেশটিতে শুক্রবার মডার্নার টিকাও অনুমোদন পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ