1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের রাজশাহী পর্বে প্রথম দুই স্থানই রুয়েটের দখলে খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি, দেয়ালে বিরোধী পোস্টার সিলেটে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে আটক ১২ নেতাকর্মী নিষিদ্ধ আ.লীগের চাঁদপুর জেলার সভাপতিসহ আটক ৩০ জামায়াতের দ্বীন-ইসলাম আমাদের নয়: আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী শেরপুরে ‘মসজিদ কমিটি নিয়ে’ মারামারিতে বিএনপি নেতার মৃত্যু ৫৫ সেঞ্চুরির ওপরে সেই ৪৩ রান অভিনব প্রতারণায় ব্যাটসম্যানকে আউট করে নিষিদ্ধ ‘ক্লিকি পন্টিং’ ফুটবল থেকে রোনালদোর বিদায় যেন এমন না হয়, চাওয়া মরিনিয়োর তানজিন তিশার সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের স্থগিত করলো অভিনয়শিল্পী সংঘ

জামিন পেলেন ড. ইউনূস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৬০ Time View

শ্রম আইনের ১০টি নিয়ম লঙ্ঘন করা মামলায় জামিন পেলেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ রবিবার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলামের আদালত পাঁচ হাজার টাকায় মুচলেকায় এ জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি।

এর আগে ১৩ জানুয়ারি ড. ইউনূসসহ তার প্রতিষ্ঠানের আরও তিনজনকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য এ সমন জারি করেন আদালত।

এর আগে ৫ জানুয়ারি শ্রম আইনের ১০টি নিয়ম লঙ্ঘন করায় ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম।

মামলার বিবাদীরা হলেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আ. হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকর।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার বাদী ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর গ্রামীণ কমিউনিকেশনসে সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির দ্বারা ১০টি বিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি দেখতে পান। এগুলো হলো- ১. বিধি মোতাবেক শ্রমিক/কর্মচারীদের নিয়োগপত্র, ছবিসহ পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বহি প্রদান করা হয়নি। ২. বিধি মোতাবেক শ্রমিকের কাজের সময় এর নোটিশ পরিদর্শকের নিকট হতে অনুমোদিত নয়। ৩. কোম্পানিটি বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক রিটার্ন দাখিল করেনি। ৪. কর্মীদের বৎসরান্তে অর্জিত ছুটির অর্ধেক নগদায়ন করা হয় না। ৫. কোম্পানির নিয়োগবিধি মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ৬. ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি ও উৎসব ছুটি প্রদান-সংক্রান্ত কোনো রেকর্ড/রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় না। ৭. কোম্পানির মুনাফার অংশ ৫% শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল গঠনসহ লভ্যাংশ বণ্টন করা হয় না। ৮. সেফ্টি কমিটি গঠন করা হয়নি। ৯. কর্মীদের অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করালেও কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স গ্রহণ করেননি। ১০. কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ