1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশে লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি ‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’ যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সাত সেনাসহ ৩৭ জন নিহত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে যেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের পাটের মান বেশি উন্নত: ভারতীয় কৃষিমন্ত্রী এফবিসিসিআই’র সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন শওকত আজিজ রাসেল সেলুনে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২ পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধান শিক্ষকদের বেতন কেন ১০ম গ্রেডে নয়

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৪ Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে সে অনুযায়ী বেতন-ভাতা নির্ধারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তসহ সকল প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে ১১ ও ১২ তম গ্রেড দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন কেন বেআইনি ও বাতিল করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। জনপ্রশাসন, অর্থ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনসহ (পিএসসি) সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলে জবাব দিতে বলা হয়েছে। টাঙ্গাইলের আতাবারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৭ জন প্রধান শিক্ষকের করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শাম্মী আক্তার ও মো. জে আর খান রবিন।

রিট আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালের ৯ মার্চ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকের পদমর্যাদা তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। একইসঙ্গে তাদের বেতন স্কেল ১১ ও ১২তম গ্রেডে রাখা হয়। কিন্তু ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদমর্যাদার কর্মচারিদের বেতন কাঠামো রাখা হয়েছে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে। একারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল ১১ ও ১২তম গ্রেডে রাখা অবৈধ, বেআইনি ও অসাংবিধানিক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ