1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদক ও নৈতিকতাহীনতা থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনতে হবে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের হুংকার, ড্রোন হামলা নিয়ে জার্মানির অভিযোগ অস্বীকার ব্রাভো-পোলার্ড-নারাইনের নামে কুইন্স পার্ক ওভালে স্ট্যান্ড চিকিৎসাধীন বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশ-আরএকে চেম্বারের বৈঠক দাম কমায় তিন মাস পর ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক একযোগে জর্ডান, ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন অবস্থানে পাল্টা হামলা ইরানের প্যারিস ছেড়ে এবার লন্ডনে ব্যালন ডি’অরের জমকালো রাত চিকিৎসা শেষে আজ রাতে দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস ঢাকায় বসে শুধু নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষে আমি নই : সাচিং প্রু

‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ Time View

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে গণকবর দেওয়া হয়েছে এবং একটি হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি জানান, বর্তমানে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এবং ভাসিয়ে দেওয়া ও গণকবরে থাকা মরদেহের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। এগুলো শনাক্ত হলো শহীদের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়া আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করেছেন প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে চিফ প্রসিকিউটর সেখানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের তালিকায় এ পর্যন্ত সরকারি গেজেটে ৮৬৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে এর বাইরেও বহু মরদেহ গণকবর ও নদীতে পাওয়া গেছে, যা এখনো তালিকায় যুক্ত হয়নি।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাইয়ে গণকবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো শনাক্ত করার কাজ চলছে। জুরাইন, মাতুয়াইল, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে গণকবর আছে। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সেখানে থাকা শহীদদের লাশ আমরা শনাক্তের কাজ করছি। ইতিমধ্যে কিছু রিপোর্টও পেয়েছি। গণকবরে যাদের দাফন করা হয়েছে, তারা গেজেটে এখনও যুক্ত হননি। এছাড়া একটি হাসপাতাল থেকে নদীতেও অনেক লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাদেরও পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। গণকবর ও নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া বাকি শহীদদের শনাক্তের কাজ শেষ হলে মোট শহীদের সংখ্যা এক হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

গণহত্যার বিচার প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, তারা যতো প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর আলামত নষ্ট ও লাশ গুম করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছিলো, তদন্তের মাধ্যমে তার সবটুকুই বের করে আনা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে শহীদ পরিবারগুলোকে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া কারো কাছে জুলাই গণহত্যা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য থাকলে তা প্রসিকিউশনকে দিয়ে সহায়তা করারও আহ্বান জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ