নন্দিত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ গান খুব ভালোবাসতেন। অবসরে তিনি শুনতেন সবধরনের গান। গানের প্রতি তার টানটা উত্তরাধিকার সূত্রে বাবার কাছ থেকে পাওয়া। হুমায়ূন আহমেদের বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ
কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ ২৩ জুলাই সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয়। আগেই সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট লেখকের প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যে
জাদুকরী ক্ষমতা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। সাহিত্য-নাটক-চলচ্চিত্র সর্বত্রই ছড়িয়েছেন মুঠো মুঠো সোনা। আজকের অনেক তারকাশিল্পীকেই গড়ে তুলেছেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদের নাটকে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ ছিল নবীন
‘বাকের ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, মিছিলে জনস্রোত। নাহ, কোনো রাজনৈতিক মিছিল নয়। নব্বুইয়ের দশকের শুরুর দিকে হুমায়ূন আহমেদের ধারাবাহিক নাটক ‘কোথাও কেউ নেই’-এর প্রধান চরিত্র বাকের ভাইকে
নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’-ই ছিল তার জীবনের শেষ চলচ্চিত্র নির্মাণ। এ চলচ্চিত্রটির একটি প্রদর্শনী দেখতে তিনি গত মে মাসে নিউইয়র্কে চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকায় আসেন। আর সেই
জিটিভিতে প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক ‘জননী’। শ্যামল ভাদুড়ীর রচনা ও শাহাদাৎ হোসেন সুজনের পরিচালনায় ধারাবাহিকটি সপ্তাহের প্রতি শনি থেকে বুধবার রাত ৮টা ৩০মিনিটে জিটিভিতে প্রচার হচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ জমে উঠেছে
চলচ্চিত্রাভিনেত্রী দিতি এবার জয়া আহসানের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। পরিচালক সাফি উদ্দিন সাফির নতুন ছবি ‘পূর্ণ দৈর্ঘ্য প্রেমকাহিনী’ তে দিতিকে চুড়ান্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি এফডিসিতে দিতির অভিনয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত
বাংলা কথাসাহিত্যে অসামান্য ক্ষমতাবান লেখক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ আর নেই।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২০ মিনিটে তিনি চলে যান না-ফেরার দেশে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
‘মেরে স্বপনো কি রানী কাব আয়েগি তু’, সেই সাড়া জাগানো গানের স্টাইলিস্ট হিরো আজও এদেশের পুরনো দিনের দর্শকের হৃদয়ে রয়ে গেছে। ষাটের দশকের শেষভাগে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘আরাধনা‘-তে স্বপ্নের রানী
বাংলাদেশের থিয়েটার টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের বহুমাত্রিক শিল্পসষ্ট্রা আবদুল্লাহ আল মামুনের ৭০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবনীর উপর একটি প্রামান্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। নাদেজদা ফারজানা মৌসুমি নির্মিত এ প্রামান্য চলচ্চিত্রটির নাম