ভাস্কর্য ইস্যুতে বিএনপির নীরবতার কারণ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির নীরবতার কারণ তো পরিষ্কার। পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে তারা। তারাই এ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিকে নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি। তাদের জোটের সঙ্গী হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের কেউ স্বাধীনতাকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে
রাজধানী ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনাল থেকে আরও একটি বোমা পাওয়া গেছে। আজ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে নির্মাণের জন্য পাইলিংয়ের সময় বোমাটি উদ্ধারের কথা জানায় বিমানবন্দর
করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া বিদেশ থেকে যাত্রী আনা এয়ারলাইনসকে বিভিন্ন মেয়াদে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত (সাসপেন্ড) রাখবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গতকাল রোববার (১৩ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে সতর্ক করে
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা মহামারি পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি
আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আজ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বুদ্ধিজীবী দিবস
ভাস্কর্য ইস্যুতে বিএনপির নীরবতার কারণ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির নীরবতার কারণ তো পরিষ্কার। পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে তারা। তারাই এ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করতে হবে। তাদের অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে। সোমবার
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একাত্তরের ঘাতক, মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-মৌলবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আজ সোমবার ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে পরিকল্পনা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।