ইরাকে মার্কিন দু’টি ঘাঁটিতে হামলায় ইরান ‘ফতেহ-৩১৩’ এবং ‘কিয়াম’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। জানা গেছে, ‘ফতেহ’ অর্থ বিজয়ী এবং ‘কিয়াম’ অর্থ জাগরণ। ‘ফতেহ-৩১৩’ ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচশ কিলোমিটার এবং ‘কিয়াম’ সাতশ কিলোমিটার দূরে
ডোনাল্ড ট্রাম্প যাতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে না পারেন সেজন্য তার যুদ্ধ ক্ষমতা কমাতে ভোট দিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ সদস্যরা। এমন এক সময় এটা ঘটনা ঘটেছে,
ইরানই ভুলবশত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইউক্রেনের প্লেনটিকে ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো। এ ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোসহ ব্রিটিশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা। মার্কিনসহ
আপাতত একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা থেকে বিরত থাকল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে এখনই নতুন করে সামরিক সংঘাতে জড়াচ্ছে না দেশ দুটি। যুদ্ধ ঘোষণা না করে বিচক্ষণতার পরিচয় দিলেন
ইরানের রাজধানী তেহরানে ১৭৬ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের ওই বিমানটির ব্ল্যাক বক্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কিংবা যুক্তরাষ্ট্রকে দেবে না ইরান। বৈশ্বিক বিমান বিধিমালার অনুযায়ী এই ঘটনার তদন্তে নেতৃত্ব দেয়ার অধিকার
গতকাল বুধবার ভোরে ইরাকে অবস্থিত দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরাকের আল-আনবার প্রদেশে অবস্থিত মার্কিন বিমান ঘাঁটি আইন আল-আসাদের রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনটাই
ইরাকে থাকা মার্কিন দু’টি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ঘটনায় অন্তত ৮০ জন নিহত এবং দুই শতাধিক সেনা আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন,
ইরাক সরকারকে জানিয়েই সে দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ। ইরাকের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে তেহরান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেই এটি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সব বাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ইরানের পার্লামেন্টে একটি বিল পাস হয়েছে মঙ্গলবার। জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর ইরান এই পদক্ষেপ নিলো। গত শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক
চিরশত্রু সৌদি আরবের সঙ্গে সমঝোতার পথে অনেকদুর এগিয়ে গিয়েছিলেন সোলাইমানি। আর সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্র তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কেননা সৌদি-ইরান এক হয়ে গেলে মধ্যপ্রাচ্যে