করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত। গত বছরের থেকে পরিস্থিতি এবার আরও ভয়াবহ। রূপ বদলে সংক্রমণ ও প্রাণহানির ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে ভাইরাসটি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয় ব্রিটেনসহ
ভারতে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ নিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান সোমবার জানিয়েছেন, ভারতে সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা করতে তার সংস্থা দ্রুতগতিতে কাজ করছে। ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম গ্যাব্রিয়াসুস
করোনাভাইরাসে রীতিমতো বিধ্বস্ত ভারত সংক্রমণ ও মৃত্যুতে টানা রেকর্ডের পর অবশেষে নেতিবাচক গ্রাফ দেখলো। ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন
ভারতে পরিবারের সঙ্গে থাকলেও মাস্ক পরতে বলা হচ্ছে। করোনা ঠেকাতে মাস্ক পরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় কাউকে বাড়িতে আমন্ত্রণ না জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে। এ ছাড়া অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বের
ভারতে করোনা সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে, রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে চলছে সংক্রমণ হার। কয়েকদিন ধরে অক্সিজেনের সংকটে দেশটি, অক্সিজেন না পেয়ে অনেক রোগীর মৃত্যুও হয়েছে। এর মধ্যেই ভেন্টিলেটর সংকটও
বছরের পর বছর ধরে পবিত্র রমজান এলেই জেরুজালেমের দামাস্কাস গেটে জড়ো হন ফিলিস্তিনের মুসলিমরা। সেহরি, ইফতার কিংবা তারাবির পাশাপাশি সেখানে জড়ো হয়ে ইবাদত-বন্দেগি করেন তারা। কিন্তু ইহুদিবাদী দখলদার দেশ ইসরায়েল
ভারতে করোনা সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে, রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে চলছে সংক্রমণ হার। গত সপ্তাহে বিশ্বে প্রথমবারের মতো একদিনে ৩ লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছিল সেখানে। এবার সাড়ে তিন লাখ
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৩১ লাখ ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১৪ কোটি ৭৭ লাখ ৮৩ হাজার। সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে বিপর্যস্ত ভারতে ছয় শতাধিক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য। চিকিসাৎযন্ত্রের প্রথম চালানটি রবিবার যুক্তরাজ্য থেকে রওনা হবে। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ সেগুলোর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। খবর বিবিসির।
এবার করোনাভাইরাসের আরও শক্তিশালী একটি ধরন শনাক্ত হয়েছে শ্রীলংকায়। রোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে এখন পর্যন্ত পাওয়া সব ধরনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশি সংক্রামক। শ্রী জয়াবর্ধনপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান নিলিকামালাভিজে