নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় জ্বালানী তেলবাহী ট্যাংক লরির চালক আমজাদ আলীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার কালিকাপুর ফজলিতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আমজাদ আলী কুষ্টিয়ার কাঁটাজোলা গ্রামের মৃত
যশোরের শার্শা উপজেলায় বজ্রপাতে ভাইবোন নিহত হয়েছে। এ সময় তাদের মা আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে উপজেলার কায়বা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো, মাসুদ হোসেন (১৪) ও তার বোন সবুরা
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার নাকাপা বুদুমছড়া এলাকায় রোববার ভোরের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সুপার আলী আহমদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে
রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঘটনায় উদ্ধার কাজ আনুষ্ঠানিক সমাপ্ত ঘোষণা করার পর আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পাহাড়ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত রাঙামাটিতেই ১১৫ জন
রাঙামাটি এখন মৃত্যুপুরী। একের পর এক বাড়ছে মরদেহের মিছিল। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও নিখোঁজ এক সেনা সদস্যসহ আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবারের পাহাড়ধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে
রাঙামাটির সার্কিট হাউসের পাশে ধসে পড়া পাহাড়ের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার অভিযানের তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার সকালে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ জেলায় পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো
বিয়ে করেছেন মাত্র ১০ মাস আগে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বিয়ের স্মরণীয় মুহূর্তের ছবিতে এখনও সতেজ। বলছি ক্যাপ্টেন তানভীর সালাম শান্ত’র কথা। প্রতিটি ছবিতে হাতে হাত রেখে হাস্যোজ্জ্বল স্বামী-স্ত্রী। হয়তো কথা
টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম বিভাগের তিন জেলায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর ধসে পড়া পাহাড়ের মাটি সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের অভিযান শুরু করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। দুইদিনের টানা বর্ষণে রাঙামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড়
রাঙামাটিতে ধসে পড়া পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে বুধবার সকালে আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে কেবল রাঙামাটিতেই নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০১ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত বান্দরবানে সাত জনের এবং
টানা বর্ষণে সড়ক প্লাবিত ও সড়কে গাছ ভেঙে পড়ায় বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বান্দরবান-কেরানিহাট সড়কের বড়দুয়ারা এলাকায় সড়ক প্লাবিত এবং সদরের লালমোহন বাগান এলাকায় গাছ ভেঙে