স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চত করার জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, সারা দেশে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা হাসপাতালটি প্রথম পর্যায়ের ১০টির মধ্যে রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চত করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এখন থেকে বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে সিজার অপারেশন চালু হবে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় হাসপাতাল পরিদর্শনকালে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, হাসপাতালটিতে দুজন চিকিৎসক যোগদান করায় কিছুটা হলেও সংকট কাটবে। গর্ভবতীরা চিকিৎসা সেবা পাবে। খুব শীঘ্রই আরো চিকিৎসক ও অন্যান্য স্টাফ আনার প্রক্রিয়া চলছে। ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে জনগণকে দেওয়া ওয়াদা রাখার চেষ্টা করেছি। এখন থেকে দরিদ্র রোগীদের অপারেশন করাতে আর ঢাকায় যেতে হবে না, খরচও তাদের লাগবে না।
মেঘনা নদীতে সেতু নির্মাণ হলে বাঞ্ছারামপুর ঢাকার কাছে চলে আসবে উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাঞ্ছারামপুরে সৃষ্টি হবে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র। বিশেষ করে যেসব অনাবাদি জমি আছে, সেগুলোতে মিল–কারখানা স্থাপিত হবে। ইতোমধ্যে বাঞ্ছারামপুর -নবীনগর পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্তের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ চলছে।
পৌরসভার ঢোলভাঙ্গা নদীর প্রাণ ফিরে পেতে খুব শীঘ্রই নদীর তীর ঘেঁষে ওয়াকওয়ে (হাটার রাস্তা) নির্মাণ করা হবে।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার প্রশাসক রবিউল হাসান ভূইয়া, ওসি তদন্ত আবু সাইদ, হাসপাতালের চিকিৎসকবৃন্দ, সংবাদকর্মী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, ভিপি মজিব, সালাউদ্দিন আহমেদ বাসু, গণসংহতি আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক শামীম শিবলী, মাহবুবুল হক কাইয়ুমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাঞ্ছারামপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার (টিএইচও) ডাক্তার রঞ্জন বর্মন বলেন, গত বৃহস্পতিবার ডা. মো. হাবিবুর রহমান (এ্যানেসথেসিয়া) এবং ডা. সুষ্মিতা সাহা (গাইনী এন্ড অবস্) যোগদান করেছেন। এখন থেকে সরকারি এই হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানো সম্ভব।