প্রাণঘাতি নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৭২ বাংলাদেশি মারা গেছেন। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস, প্রবাসী কমিউনিটি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোর একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এরই মধ্যে সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি মানুষ মারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষের। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও লকডাউন
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে দুই হাজার চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সোমবার (৪ মে) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮৩ জনের। এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৭৮৬ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে আলো জ্বলবেই। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে
ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসার জন্য গিয়ে আটকা পড়া আরো ১৬৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ শনিবার দুপুরে ইউএস-বাংলার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা দেশে ফেরেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার দুই কর্মকর্তাসহ একটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারে পঙ্গপাল আতঙ্ক তৈরি করা সেই পোকার নমুনা সংগ্রহ করেছে।আজ শুক্রবার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি
জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর শ্রমিক, অসহায়, দরিদ্রসহ সব মানুষদের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটিও মানুষ খাদ্যসামগ্রী থেকে বাদ যাবে না।
যুক্তরাজ্য সরকার অনুমোদিত একটি ‘ম্যাস র্যাপিড টেস্টিং কনসোর্টিয়াম’ শুরু করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। তারা এটাকে ইমিউনিটি টেস্টের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী মূহুর্ত বলে দাবি করেছেন। এই প্রকল্পে ৫ কোটি মানুষের ইমিউনিটি
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই কোনো না কোনো মাত্রার লকডাউন আরোপ করা হলেও সুইডেনে অধিকাংশ নাগরিকই অনেকটা স্বাভাবিক জীবনযাপন চালিয়ে যেতে পারছেন। সুইডেনের এই কৌশল অবলম্বন করার পেছনে দেশটির