শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে আমরা নির্বাচন করবো না। তিনি প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়লে বর্তমান সমস্যার সমাধান হতে পারে। তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকলে নির্বাচনে কারচুপি হতে পারে। নির্বাচন গতবারের মতো ক্র্যাকড হতে পারে। তাছাড়া,
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল সকালে মিরপুরের ইউনূস সেন্টারে বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরামের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে
সঙ্কট উত্তরণে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব দু’টো বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনকালীন সরকার প্রধানের পদ থেকে সরে গিয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে দায়িত্ব প্রদান এবং তার অধীনে অথবা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর
বিরোধী দল না এলে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ ভোট দিতে যাবে না। এমন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। চলমান সংকটের সহসা উত্তরণ ঘটবে, এমন আলামত এখনও দেখা যাচ্ছে না। দেশি-বিদেশী সকল মহল একটি অবাঁধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাথে দেখা করার জন্য আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ইহসানুল করীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইহসানুল করীম জানান, রাষ্ট্রপতি
‘সর্বদলীয়’ সরকারে থাকা জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফকেস বা ফোল্ডার ফেরত পাঠিয়েছেন। অন্য পাঁচ মন্ত্রী এ বিষয়ে কিছুই জানাননি। অর্থাৎ তাঁরা মন্ত্রিসভা
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো। বৈঠক শেষে জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ সাহেবের সঙ্গে এক
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে আজ রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গেছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো। একটি কূটনৈতিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীর সঙ্গে বৈঠক করবেন
‘ছোটবেলায় নানু যখন ডাক্তার মাহজাবীন ইসলাম নামে ডাকত আমাকে, তখন থেকেই ছোট্ট স্বপ্নটা আমার ভেতরে একটু একটু করে বাসা বেঁধে ফেলেছিল।’—কথাটা ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা ডা. মাহজাবীন