৩ হাজার ৭৫৭ জন শ্রমিকের মধ্যে ৩ হাজার ৪১৪ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
উৎসবমুখর পরিবেশে সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোনায়েছ খান কাবুল শনিবার বলেন, শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শহরের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়।
এরপর ভোট গনণা শেষে গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৩ হাজার ৭৫৭ জন শ্রমিকের মধ্যে ৩ হাজার ৪১৪ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন।
নির্বাচনে বিজয়ী ও নিকটতম প্রার্থীরা হলেন- সভাপতি পদে সুলতান তালুকদার প্রজাপতি প্রতীকে ১ হাজার ৫৬১ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল আউয়াল সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭৭ ভোট।
কার্যকরী সভাপতি পদে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ গাভী প্রতীকে ২ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম কুড়াল প্রতীকে ১ হাজার ২৭০ ভোট পেয়েছেন।
সহসভাপতি পদে শহিদুল ইসলাম শহিদ ঘড়ি প্রতীকে ১ হাজার ৫৪৫ পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল রাজ্জাক মন্ডল বাস প্রতীকে ১ হাজার ২৩০ ভোট পেয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে দুলাল সেখ দুলু দোয়াত কলম প্রতীকে ১ হাজার ৬১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুজ্জামান লিটন গরুরগাড়ি প্রতীকে ৯৬৯ ভোট পেয়েছেন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সেলিম রেজা চেয়ার প্রতীকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদ খান গমের শীষ প্রতীকে ৩৬০ ভোট পেয়েছেন।
সহসাধারণ সম্পাদক পদে আবুল কালাম আজাদ এ্যাটম শাপলা ফুল প্রতীকে ১ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঞ্জুর রশিদ রানা গিটার প্রতীকে ১ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়েছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাজেদ খান চাঁদতারা প্রতীকে ১ হাজার ২৯ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুয়েল রানা ঘোড়া প্রতীকে ১ হাজার ১৪ ভোট পেয়েছেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে মোক্তার হোসেন হাতি প্রতীকে ১ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলার রহমান ফজলু লাঙ্গল প্রতীকে ১ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়েছেন।
সড়ক সম্পাদক পদে আসলাম সেখ উড়োজাহাজ প্রতীকে ১ হাজার ৪২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলাউদ্দিন রিকশা প্রতীকে ১ হাজার ৩২৬ ভোট পেয়েছেন।
প্রচার সম্পাদক পদে রহিম উদ্দিন মশাল প্রতীকে ১ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্না সেখ মাইক প্রতীকে ১ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়েছেন।
দপ্তর সম্পাদক পদে মাসুদ খন্দকার মোরগ প্রতীকে ১ হাজার ৭০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল লতিফ তালুকদার র্যাকেট প্রতীকে ৯৫৪ ভোট পেয়েছেন।
ক্রীড়া সম্পাদক পদে আবুল কালাম আজাদ আম প্রতীকে ১ হাজার ২৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল রানা ব্যাটবল প্রতীকে ১ হাজার ১৯১ ভোট পেয়েছেন।
সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী মাসুম আপেল প্রতীকে ১ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাগর সেখ গোল্ডকাপ প্রতীকে ১ হাজার ১৫৩ ভোট পেয়েছেন।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে কোরবান হোসেন সেখ চাকা প্রতীকে ১ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করিম দোয়েল পাখি প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৩ ভোট।
কার্যকরি সদস্য পদে তিনজন বিজয়ী হয়েছেন। এদের মধ্যে হাফিজুল ইসলাম খেজুরগাছ প্রতীকে ১ হাজার ১৫ ভোট, আব্দুল মজিদ হুক্কা প্রতীকে ৯২২ ভোট পেয়ে পুনরায় এবং সুমন ওরফে জেটলি পানির বোতল প্রতীকে ৮২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সামান্তাদের বিদায়: তরুণদের রাজনীতির স্বপ্নে ভাঙন
করের বিকল্প যখন রেমিটেন্স: জবাবদিহিহীন রাষ্ট্রের ‘সহজ এক্সিট’ তত্ত্ব
বিচারহীনতার দশ বছর: সাঁওতালদের ভিটা বাগদাফার্মে কার স্বার্থে ইপিজেড?
মসনদে টান ওদের, দমবন্ধ কিন্তু আমাদেরই