1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত স্কিনো’র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নীহা শাহরুখের প্রথম সিনেমা নিয়ে রোমাঞ্চকর ও অজানা গল্প যেভাবে বলিউডের ‘কিং খান’ হয়ে উঠলেন শাহরুখ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সাহায্য চেয়েছে ভারত এবার পোশাক শ্রমিকদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে এবার সড়কে নারায়ণগঞ্জের পোশাক শ্রমিকরা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন, প্রভাব পড়বে কানাডার বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, লিখতে হবে যেভাবে

‘শিশু অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১
  • ৫৩ Time View

শিশুদের অপরাধ যতই গুরুতর হোক না কেন, তাদেরকে ১০ বছরের বেশি সাজা দেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ঠা মার্চ) বিচারপতি মো. সওকত হোসেন, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবিনের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর রায়টি প্রকাশিত হয়।

রায়ে যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে-

১. শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ জুবেনাইল বিচার পদ্ধতির ধারণার পরিপন্থী।

২. নিউরোসায়েন্স এবং সাইকোলজিকাল গবেষণা অনুযায়ী, শিশুরা তাদের কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল নয়।

৩. শিশুরা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বস্তুত, ব্রেনের যে অংশ আবেগ ও যৌক্তিকতা নিয়ন্ত্রণ করে, শিশু অবস্থায় ব্রেনের সে অংশ পরিপক্ক হয় না।

৪. শিশুরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পরিণতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখে না। অনেক ক্ষেত্রে তারা অপরাধের দোষ নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়।

৫. কোনও কোনও ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাওয়ার প্রলোভনে শিশুরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়ে যায়।

হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের রায়ে মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্টের একটি মামলার রায় পর্যালোচনাসহ বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের নজিরগুলো উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের লিখিত আর্টিকেল, বই, সায়েন্টিফিক রিসার্চের ফলাফল নিয়েও আলোচনা করে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

সিদ্ধান্তগুলো হলো-

১. শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোনও সাক্ষ্যগত মূল্য নেই।

২. স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি কোনও শিশুকে সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

৩. অপরাধ যা-ই হোক না কেন, একজন শিশুকে ১০ বছরের বেশি সাজা প্রদান করা যাবে না।

প্রসঙ্গত, শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে দেশের ফৌজদারি কার্যবিধিতে সুনির্দিষ্ট কোনও বিধান নেই। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক গঠন বিবেচনায় ১৯৭৪ সালের শিশু আইন অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালিত হয়ে আসছে।

২০১৩ সালে নতুন শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে শিশুর বয়স, জবানবন্দি গ্রহণ, দণ্ড ও শিশু শোধনাগারসহ বিশেষ বিশেষ বিধান রাখা হয়। এই বিষয়ে দেশের উচ্চ আদালতের পক্ষে-বিপক্ষে রায় ছিল। সে কারণে ফুল বেঞ্চ গঠনের জন্য প্রধান বিচারপতির বরাবর একটি আবেদন পাঠানো হয়েছিল।

ওই আবেদনের ধারাবাহিকতায় বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে তিন সদস্য বিশিষ্ট ফুল বেঞ্চ গঠন করে দেন। সবার শুনানি শেষে এই মামলার রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ