1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় রাজশাহীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে কম্পিউটার-সেলাই মেশিন বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রে কেমন আছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাত্রি হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ দক্ষিণের মাছ হলেও এখন উত্তরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ কুড়িগ্রামে ফুলে সাজানো রিকশায় চড়িয়ে গ্রাম পুলিশকে বিদায় মেসির ‘একমাত্র’ ভোটে বিস্মিত আলজেরিয়ান তরুণ প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি বরিশালে ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘বরিশল’ উপজেলা করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়ক অবরোধ

সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সাহায্য চেয়েছে ভারত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৬ Time View

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে (সেভেন সিস্টার্স) বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে বাংলাদেশের পার্বতীপুর দিয়ে ৭৬৫ কেভির একটি হাইভোল্টেজ সঞ্চালন লাইন বা করিডর নির্মাণের অনুমতি চেয়েছে ভারত। তবে সমান সুযোগ (ইকুইটেবল এক্সেস) এবং আঞ্চলিক গ্রিড ব্যবস্থার নিশ্চয়তা পাওয়া ছাড়া নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে একক কোনো লাইন নির্মাণের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েছে ঢাকা। বিদ্যুৎ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত ৯-১০ অক্টোবর ভারতের মুম্বাইয়ে বিশ্বব্যাংকের আয়োজনে বিদ্যুৎ সচিবদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মালদ্বীপ, ভারত, শ্রীলংকা ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে তাদের সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ প্রেরণের জন্য বাংলাদেশের পার্বতীপুর দিয়ে ৭৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি করিডর ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়। এ সময় ভারতকে জানানো হয়, এই সঞ্চালন লাইন দিয়ে বাংলাদেশও চাইলে নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে।

তবে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নীতিনির্ধারক জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সমান সুযোগের নিশ্চয়তা না মিললে এই করিডরের অনুমতি দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ একক কোনো দ্বিপক্ষীয় সুবিধার পরিবর্তে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে নিজস্ব পৃথক গ্রিড লাইন কিংবা একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক গ্রিড লাইন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিচ্ছে। এই গ্রিড লাইনটি হতে পারে ভারত-ভুটান-বাংলাদেশ অথবা নেপাল-ভারত-বাংলাদেশ সমন্বিত ত্রিপক্ষীয় আঞ্চলিক গ্রিড।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঠিক আগে গত ১৯-২০ জুলাই দুই দেশের বিদ্যুৎ সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) বৈঠকে ভারতের এই করিডর প্রস্তাব নিয়ে কিছুটা ইতিবাচক আলোচনা হয়েছিল। তৎকালীন নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালে লাইনটির নির্মাণকাজ শুরু করে ২০২৮ সালের মধ্যে তা শেষ করার তাগিদ ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তৎকালীন সরকারও এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।

এর ধারাবাহিকতায় গত ৬ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ৭৬৫ কেভি গ্রিড লাইন নির্মাণের বিষয়টি পুনরায় উত্থাপন করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ভারত যেভাবে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে এই গ্রিড লাইন নিয়ে যেতে চাচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকার সেভাবে ভাবছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ