দে মিগেলের মর্মান্তিক মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা অধিনায়ক হাফিনিয়াকে।
বার্সেলোনা অধিনায়ক হাফিনিয়া। ছবি: রয়টার্স
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বার্সেলোনার জয়ে বড় ভূমিকা রাখলেও এ নিয়ে কোনো কথা বলতে সায় দিচ্ছে না হাফিনিয়ার মন। বার্সেলোনা অধিনায়ক মনে করছেন, হেসুস দে মিগেলের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর ফুটবল নিয়ে এখন কথা বলার কোনো অর্থ নেই।
কাম্প নউয়ে মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ৩-০ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের আগের ম্যাচে পিএসজির মাঠে হেরেছিল তারা।
ইউরোপ সেরার মঞ্চে জয়ে ফেরা নিয়ে এই মুহূর্তে আলোচনার কিছু দেখেন না হাফিনিয়া। অভিজ্ঞ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বললেন, মাঠে আঘাত পেয়ে দে মিগেলের মৃত্যুর খবর কতটা নাড়িয়ে দিয়েছে তাকে।
“হেসুসের পরিবারকে গভীরতম সমবেদনা জানাতে চাই। আমার মনে হয় না যে, আজ ফুটবল নিয়ে কথা বলার মতো দিন। এটা খুবই কঠিন। আপনি একটা ম্যাচ খেলতে মাঠে নামলেন এবং আপনার সঙ্গেও ঠিক একই জিনিস ঘটতে পারে।
“সত্যি বলতে, আমার জন্য এটা বেশ কঠিন ছিল। আজ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খবরটা শুনে আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। আমি তাকে বলেছিলাম যে, আমার মনটা দমে গেছে।”
গত সোমবার মাঠের মাঝখানে বল দখলের লড়াইয়ের সময় এফসি আন্দররার গোলকিপার হেসুস ওউনো বিপরীত দিক থেকে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টায় দৌড়ে এসে দে মিগেলের বুকে আঘাত করেন। ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের খেলা চলছিল তখন। ওই ফাউলের জন্য ওউনোকে তখনই সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়।
হাফিনিয়ার কেবলই মনে হচ্ছে, একই ঘটনা তার সঙ্গে কিংবা কোনো সতীর্থের সঙ্গে যে কোনো সময়ে ঘটে যেতে পারে।
“শেষ পর্যন্ত, সে তো একজন সতীর্থই, এমন একজন মানুষ যে আমাদের মতোই একই কাজ করে, আর এটা আমাদের যেকোনো একজনের সাথেও হতে পারতো। আমার ক্ষেত্রেও হতে পারতো, ঠিক যেমনটা আজ মাঠে থাকা যেকোনো খেলোয়াড়ের সাথেই হতে পারতো।
“সে আমারই বয়সী একজন খেলোয়াড় ছিল। আমি জানি না ঠিক এই কারণেই এটা আমাকে আরও বেশি ছুঁয়ে গেছে কি না, তবে এই খবরের কারণে আজ আমার দিনটা মোটেও ভালো কাটেনি।”
পশুপাখির প্রতি নিষ্ঠুরতা: নিজের পায়ে কুড়াল মারার দীর্ঘ ইতিহাস
তীব্র তাপপ্রবাহ: অনাগত প্রজন্মের জন্য নীরব বিপদ
হাইড্রোজেনের ভবিষ্যৎ: সম্ভাবনা বিপুল, কিন্তু অর্থনীতির পরীক্ষায় এখনো প্রস্তুত নয়
ব্রাজিলে লুলা দ্য সিলভার বিজয়ের বৈশ্বিক গুরুত্ব