1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নয় মাসে সিটি ব্যাংকের ইপিএস বেড়ে ৪ দশমিক ৯৬ টাকা বাবার পরিচালনায় মেয়ের প্রথম সিনেমা, আসছে ‘যাপিত জীবন’ বাজার ‘স্বাভাবিক’ রাখতে রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ৭৭ জেলা ও মহানগরে জামায়াতের নতুন আমির ঘোষণা, ২০ জেলায় পরিবর্তন বিশ্ব জানুক যে, মন্দ শক্তি হেরে গেছে: এল-সায়েদ বিতর্কিত ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখানোর সিদ্ধান্ত সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস গাজীপুরে আহত ৪ জনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, হামলার অভিযোগ নাহিদের সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ Time View

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন রাজপথের একজন খাঁটি যোদ্ধা। তিনি হাসতেন কম, কিন্তু তার কথাবার্তা ও আন্তরিকতা মানুষকে সহজেই কাছে টেনে নিত। তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল ও বড় মনের মানুষ ছিলেন।

আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

এদিকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীরা ঢাকার জুরাইন কবরস্থানে তাঁর কবর জিয়ারত করেন এবং পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এ ছাড়া তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিভিন্ন স্থানে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ইশরাক হোসেনসহ অন্যান্যরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। তিনি ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের মেমোরিয়াল স্লোয়ান কেটারিং ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

শৈশব ও রাজপথের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দা ছিলাম। আমি শাহজাহানপুরের, আর খোকা গোপীবাগের। কখন যে একে অপরের সঙ্গী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হয়ে গেলাম, বুঝতেই পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা—সবখানেই আমরা একসঙ্গে ছিলাম। হাতে হাত রেখে এতগুলো বছর কীভাবে পার হয়ে গেল, আর আমাদের বয়স কীভাবে বেড়ে গেল তা আজ ভাবতে কষ্ট হয়। খোকা এবং আমার জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে যদি লিখতে বসি, তবে আস্ত একটি বই হয়ে যাবে।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘রাজনীতিতে আমাদের মতপার্থক্য কিংবা ঝগড়াও হতো, কিন্তু দিন শেষে আমরা বিএনপির আদর্শ ও মানুষের জন্য একসঙ্গে কাজ করেছি। রাজনীতির নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা গিয়েছি। আজ সে আমাদের মাঝে নেই, সে থাকলে হয়তো বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আরও অনেক ভালো কিছু হতে পারত।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য ও সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ