1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নয় মাসে সিটি ব্যাংকের ইপিএস বেড়ে ৪ দশমিক ৯৬ টাকা বাবার পরিচালনায় মেয়ের প্রথম সিনেমা, আসছে ‘যাপিত জীবন’ বাজার ‘স্বাভাবিক’ রাখতে রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ৭৭ জেলা ও মহানগরে জামায়াতের নতুন আমির ঘোষণা, ২০ জেলায় পরিবর্তন বিশ্ব জানুক যে, মন্দ শক্তি হেরে গেছে: এল-সায়েদ বিতর্কিত ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখানোর সিদ্ধান্ত সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস গাজীপুরে আহত ৪ জনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, হামলার অভিযোগ নাহিদের সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাড়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ Time View

ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও সিটি গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণ দেওয়ার পথ সুগম করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অব্যাহতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আটটি ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭ (কক) (৩) ধারার প্রয়োগ থেকে সিটি গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি দিয়েছে। এ ধারায় ঋণখেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আইনের ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, প্রস্তাবিত সিন্ডিকেট ঋণের ক্ষেত্রে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিধান কার্যকর হবে না।

অব্যাহতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সিটি সিড ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড, সিটি ডাল মিলস লিমিটেড এবং শম্পা ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেড। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে ঋণখেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত।

এর আগে সিটি ব্যাংকের নেতৃত্বে আটটি ব্যাংকের একটি সিন্ডিকেট ঋণগ্রস্ত সিটি গ্রুপকে নতুন করে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা অর্থায়নের পরিকল্পনা করেছিল। পরে ঋণের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি মূলধন ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিটি ব্যাংক ছাড়া সিন্ডিকেটের অন্য ব্যাংকগুলো হলো মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক।

সিন্ডিকেটের একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, বাকি ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে পুরো ঋণের ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হবে। আরও কয়েকটি ব্যাংক এ উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এদিকে সংকটাপন্ন পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকও সিটি গ্রুপকে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋণ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই ঋণের দায় সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক—কেউই বহন করবে না। ভবিষ্যতে সিটি ব্যাংক কিংবা সিন্ডিকেটের অন্য ব্যাংকগুলোও সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে কোনো আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

ঋণের বিপরীতে সিটি গ্রুপকে এমন সম্পদ জামানত হিসেবে দিতে হবে, যেগুলো অন্য কোনো ঋণ বা দায়ের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়নি। এসব সম্পদ নিবন্ধিত বন্ধকনামার মাধ্যমে জামানত হিসেবে দিতে হবে।

সিন্ডিকেট ঋণের অর্থ দিয়ে কেনা পণ্য বিক্রির আয় নির্ধারিত একটি ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে হবে। ওই হিসাব থেকে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর পাওনা নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যাংকের অর্থায়নের অনুপাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর জামানত ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা এজেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানি করা কাঁচামাল কিনবে এবং জিম্মাদার হিসেবে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করবে।

সিটি গ্রুপের কাছে দেশি-বিদেশি ৪৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে গ্রুপটির ঋণ খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ