1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একই দলিলের জাবেদায় দুই ধরনের তথ্য হোটেল খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে: মো. আল আমিন শ্রীলঙ্কাকে টপকে ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবার ছয়ে আফগানিস্তান এবারের স্থানীয় নির্বাচনে কারা পাবেন বিএনপির মনোনয়ন, জানালেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘুমের মধ্যেই মারা গেলেন অভিনেতা অনুজ, বয়স হয়েছিল ৩৩ ‘কিং’ সিনেমার প্রথম গান: শাহরুখ-দীপিকার ‘তু মিল যায়ে’ ডিসেম্বরে বড়পর্দায় সজল-অধরা জুটির প্রথম সিনেমা শুটিং সেটে গোপনে ভিডিও ধারণ, সতর্ক করলেন অভিনেত্রী বুটেক্সের আন্ত:বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন টিএমডিএম সুখী দেশ ফিনল্যান্ডে সিঙ্গেলদের বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

প্রধান শিক্ষকদের বেতন কেন ১০ম গ্রেডে নয়

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭৪ Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে সে অনুযায়ী বেতন-ভাতা নির্ধারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তসহ সকল প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে ১১ ও ১২ তম গ্রেড দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন কেন বেআইনি ও বাতিল করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। জনপ্রশাসন, অর্থ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনসহ (পিএসসি) সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলে জবাব দিতে বলা হয়েছে। টাঙ্গাইলের আতাবারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৭ জন প্রধান শিক্ষকের করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শাম্মী আক্তার ও মো. জে আর খান রবিন।

রিট আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালের ৯ মার্চ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকের পদমর্যাদা তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। একইসঙ্গে তাদের বেতন স্কেল ১১ ও ১২তম গ্রেডে রাখা হয়। কিন্তু ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদমর্যাদার কর্মচারিদের বেতন কাঠামো রাখা হয়েছে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে। একারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল ১১ ও ১২তম গ্রেডে রাখা অবৈধ, বেআইনি ও অসাংবিধানিক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ