1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় রাজশাহীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে কম্পিউটার-সেলাই মেশিন বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রে কেমন আছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাত্রি হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ দক্ষিণের মাছ হলেও এখন উত্তরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ কুড়িগ্রামে ফুলে সাজানো রিকশায় চড়িয়ে গ্রাম পুলিশকে বিদায় মেসির ‘একমাত্র’ ভোটে বিস্মিত আলজেরিয়ান তরুণ প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি বরিশালে ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘বরিশল’ উপজেলা করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়ক অবরোধ

গোমতীর ভাঙনে বিলীনের পথে রঘুরামপুর, আতঙ্কে ৫ হাজার মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০৮ Time View

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম রঘুরামপুরে গোমতী নদীর ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন প্রায় ৪–৫ হাজার মানুষ। গত কয়েক বছরে নদীভাঙনে একের পর এক ফসলি জমি ও চলাচলের রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন নদী চলে এসেছে বসতভিটার একেবারে কাছে। ফলে ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে গোমতী নদীর বাঁক ও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। নদীভাঙনে ফসলি জমির পাশাপাশি গ্রামের প্রধান সড়কের বড় একটি অংশও নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে কৃষিপণ্য পরিবহণ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে।

স্থানীয় কৃষক কাসেম মিয়া বলেন, গোমতীর ভাঙনে তাদের অনেক ফসলি জমি নদীতে চলে গেছে। ভাঙন বন্ধ করা না গেলে বসতভিটাও নদীর কবলে পড়তে পারে।

বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার বলেন, নদী এখন বাড়িঘরের খুব কাছে চলে আসায় পরিবার নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় রঘুরামপুর পানির নিচে তলিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থানীয় অবকাঠামো। স্থানীয়দের দাবি, সেই ক্ষতির রেশ এখনও কাটেনি।

এদিকে নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দেবিদ্বার উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শহীদ। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সরু মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন ও বন্যার সঙ্গে লড়াই করছেন রঘুরামপুরের মানুষ। স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নদীর লুপ কাটিং, জিও ব্যাগ ও ব্লকের মাধ্যমে রঘুরামপুর গ্রামটি রক্ষায় কাজ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ