1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার জেলা প্রশাসনের সম্মতি না মেলায় বৃহস্পতিবারও সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না পর্যটকবাহী জাহাজ নবজাতকের মৃত্যু: সিলেটে মাউন্ট এডোরার ‘মেন্টারনিটি কেয়ার ইউনিট’ বন্ধের নির্দেশ মেয়েদের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড, প্রায় ১০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক প্রভাব ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের অঙ্গীকার: চীনা মন্ত্রী রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী আদনানের প্রথম সিনেমার নায়িকা মেহজাবীন, নায়ক নিশো ভারতের বিপক্ষে ‘স্পেশাল ম‍্যাচ’ রাঙিয়ে রাখতে উন্মুখ পাকিস্তান

ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩১ Time View

ক্ষুধা নিরসনে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) বা বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের স্কোরের উন্নতি হয়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। অথচ ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে স্কোরের উন্নতি হয়েছিল ৪২ শতাংশের বেশি।

২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম। এ বছর বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ২, যা ২০১৮ সালে ছিল ২০। এখনো ‘মাঝারি মাত্রার’ ক্ষুধার শ্রেণিতে রয়েছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শিশুদের তীব্র অপুষ্টির হার ২০১৮ সালের ৮ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে সর্বশেষ মূল্যায়নে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০০০ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ হার।

উচ্চতার তুলনায় কম ওজন শিশুদের অপুষ্টির লক্ষণ। অপুষ্টিতে শিশুদের অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তবে অন্যান্য সূচকে উন্নতি দেখা গেছে। শিশুদের খর্বাকৃতির (স্টানটেড) হার ২০১৮ সালের ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে সর্বশেষ মূল্যায়নে ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে অপুষ্টিতে ভোগা জনসংখ্যার অনুপাত ১২ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহারও ৩ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৩ শতাংশে নেমেছে।

প্রতিবেদনে ক্ষুধা নিরসনে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতিকে ‘এক প্রজন্মের অর্জন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

শিশুদের খর্বাকৃতির হার ২০০০ সালের ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে সর্বশেষ মূল্যায়নে ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, এ হার ৩০ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি কমেছে।

জিএইচআইয়ের গবেষণা অনুযায়ী, শিশুদের খর্বাকৃতির হার দীর্ঘমেয়াদে কমার পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে অভিভাবকদের শিক্ষার উন্নতি, বিশেষ করে মায়েদের শিক্ষার অগ্রগতি এবং পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন। এছাড়া স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন ও জনমিতিক পরিস্থিতির উন্নতিও এতে ভূমিকা রেখেছে।

সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১, পাকিস্তানের ২৫ দশমিক ৫ ও আফগানিস্তানের ২৮ দশমিক ৬। দেশ তিনটি গুরুতর ক্ষুধার শ্রেণিতে রয়েছে। অন্যদিকে, নেপালের স্কোর ১৪ দশমিক ৫ ও শ্রীলঙ্কার ১০ দশমিক ২। দেশ দুটি মাঝারি মাত্রার ক্ষুধার শ্রেণিতে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক স্কোর ২৩ দশমিক ৫। ফলে অঞ্চলটি গুরুতর ক্ষুধার শ্রেণিতেই রয়েছে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক স্কোর ১৮ দশমিক ১, যা মাঝারি মাত্রার ক্ষুধার শ্রেণিতে পড়ে।

জিএইচআই চারটি সূচকের ভিত্তিতে ক্ষুধার মাত্রা নির্ধারণ করে। এগুলো হলো—অপুষ্টি, শিশুদের তীব্র অপুষ্টি, খর্বাকৃতি ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার। স্কোর যত কম, ক্ষুধার তীব্রতা তত কম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ