জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বঙ্গোপসাগর এলাকার স্থানীয় জনসাধারণের সক্ষমতা বিষয়ক দু’দিন ব্যাপী চতুর্থ আঞ্চলিক কর্মশালা আগামি ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদ ও কনসার্ন ওয়াল্ডওয়াইডের উদ্যোগে গুলশানের স্প্রেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এতে দেশ-বিদেশের ভারত, নেপাল ও শ্রীলংকা থেকে বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মশালা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. নিলুফার বানু লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মশালার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেইঞ্জ নেগোসিয়েশন টিমের কো-অর্ডিনেটর বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ জলিল ও ভাইস চেয়ারম্যান ড. রেজাউল করীম, কনসার্ন ওয়াল্ডওয়াইডের কো-অর্ডিনেটর আসিফ ইমরান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পরিবেশ দূষণ বা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের মতো দেশগুলো মোটেও দায়ী নয়। এজন্য দায়ী উন্নত দেশগুলো। তারা বেশী বেশী গ্রিণ হাউজ গ্যাস নি:সরণ করে জলবায়ু পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। উন্নত বিশ্ব যাতে গ্রিণ হাউজ গ্যাস নি:সরণ কমায় সেদিকে নজর দিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে তারা যেসব অঙ্গীকার করে তার বাস্তবায়ন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. নিলুফার বানু জানান,কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো- প্যারিস এগ্রিমেন্টর আলোকে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও নীতি নির্ধারকদের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাম্প্রতিক ধারণা, উন্নয়ন ও চ্যালেঞ্জসমূহ আলোচনা ও বিনিময় করা এবং একটি অভিন্ন অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম তৈরী করা।
ড. বানু জানান,কর্মশালায় অর্থনীতি, পরিবেশ, জীবনমানের উপর জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব বিষয়ে ৮টি বিষয়ে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।